Shehbaz Sharif

‘দেশে দেশে ভিক্ষা করেছি আমি আর মুনির, মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে’, বিস্ফোরক পাক প্রধানমন্ত্রী

ভেঙে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। হাল ফেরাতে তাই দেশে দেশে গিয়ে সাহায্য ভিক্ষাও করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। এতে তাঁদের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১৪:৫৩

options
link
‘দেশে দেশে ভিক্ষা করেছি আমি আর মুনির, মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে’, বিস্ফোরক পাক প্রধানমন্ত্রী
শাহবাজ শরিফ। ফাইল চিত্র।

ভেঙে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। হাল ফেরাতে তাই দেশে দেশে গিয়ে সাহায্য ভিক্ষাও করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। এতে তাঁদের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানালেন স্বয়ং শাহবাজই।

Advertisement

শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের প্রথমসারির ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক ছিল পাক প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে তিনি জানান, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে তাঁদের কী কী করতে হয়েছে। এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারের উন্নতিও হয়েছে বলে জানান শাহবাজ (Shehbaz Sharif)। তিনি বলেন, “এখন বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে ঋণও বেড়েছে। আপনারা তো জানেনই, ঋণ নিলে মাথা হেঁট হয়ই। আমার আর আসিম মুনিরেরও হয়েছে। ঋণ নেওয়া আমাদের আত্মসম্মানে আঘাত। এর জন্য আমরা অনেক কিছুতেই না বলতে পারি না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার পাকিস্তানকে ঋণ দেবে কি না, তা নিয়ে জল্পনার আবহে পাক প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। শাহবাজ জানান, তিনি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং অর্থ মন্ত্রককে শিল্পোন্নয়নে জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। গভর্নরদের উচিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলা এবং কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বছর দুয়েক আগে আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের কাছ থেকে ৭০০ কোটি ডলারের ঋণের প্যাকেজ পেয়েছিল পাকিস্তান। অতিমারির পরে ডলারের তুলনায় পাকিস্তানি মুদ্রার দাম পড়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি, ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি এবং জ্বালানির অভাবে ভুগছিল পাকিস্তান। সেই সময় আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের ঋণ পেয়ে কিছুটা চাঙ্গা হয় পাকিস্তানের অর্থনীতি। পরিবর্তে বেশ কিছু শর্তও মানতে বাধ্য ছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেই শর্ত পাকিস্তান মানেনি বলে আগেই অভিযোগ তুলেছিল ভারত। এ সবের মধ্যেই গত বছর মে মাসে পাকিস্তানের জন্য ১০০ কোটি ডলার ঋণ মঞ্জুর করে আইএমএফ। তখনও আপত্তি জানায় ভারত। যদিও সেই সময়ে আইএমএফের ব্যাখ্যা ছিল, পাকিস্তান এই ঋণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল লক্ষ্য পূরণ করেছে। তাই ঋণ মঞ্জুরে কোনও বাধা ছিল না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.