১১ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: রাস্তা সম্প্রসারণের কারণে ভাঙা পড়বে দোকান। এই খবর শুনেই সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এক ব্যবসায়ী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির তারকেশ্বরে। এই ঘটনার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ব্যবসায়ী মহল।

তারকেশ্বরের চাঁপাডাঙায় বাঁধের উপর প্রায় ৮০০ দোকান রয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পি ডব্লিউ ডি’র পক্ষ থেকে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য ৩০০ দোকান ভাঙার নোটিস দেওয়া হয়। তার মধ্যেই ছিল হরেকৃষ্ণ চক্রবর্তীর দোকানও। নোটিস পাওয়ার পরই স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে গত ১৯ জানুয়ারি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। মৃতের ছেলে মৃণাল চক্রবর্তী জানান, “মিটিং চলাকালীন দোকান ভাঙা পড়বে এই কথা শোনার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাবা। পাশের এক দোকানদারকে তিনি নিজের দোকানে পৌঁছে দিতে বলেন। এরপর দোকানে পৌঁছেই জ্ঞান হারান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আরামবাগ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এরপর কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে ফের আরামবাগের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় হরেকৃষ্ণবাবুকে। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

[আরও পড়ুন: নরেন্দ্রপুর মিশনে সস্ত্রীক রাজ্যপাল, মৌলিক অধিকার নিয়ে দিলেন সচেতনতার বার্তা]

জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় হরেকৃষ্ণবাবুর দোকানের বয়স প্রায় ৩০ বছর। তার রোজগারেই চলত গোটা সংসার। তাই দোকান ভাঙার নোটিস পাওয়ার পরই আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেন তিনি। কি করে কী করবেন, তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। অতিরিক্ত চিন্তার কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পর শনিবার বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক গণেশ চক্রবর্তী তাঁর বাড়ি যান। পুনর্বাসন না দিয়ে দোকানিদের উচ্ছেদ করা যাবে না, এমনইটাই জানান তিনি। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলেও জানান তিনি।

[আরও পড়ুন:রাতারাতি পদ্ম হল ঘাসফুল! বাবুলের উদ্বোধন করা কার্যালয়ে নতুন করে ফিতে কাটলেন জিতেন্দ্র]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং