২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কর্ণপাত না করে ত্রাণ বিলিকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ল তৃণমূল-বিজেপি। বুধবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে। দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ১০ জন। আহতদের মধ্যে তিনজন বসিরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

বুলবুলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ এলাকা। ভেঙে পড়েছিল প্রচুর কাঁচাবাড়ি, গাছ। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। ত্রাণ শিবিরে ঠাঁই হয়েছে প্রচুর মানুষের। বুধবারই বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত হিঙ্গলগঞ্জের বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে আলোচনা করেন। নির্দেশ দেন যেন ত্রাণবিলি নিয়ে কোনও প্রকার সমস্যা তৈরি না হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েকঘণ্টার ব্যবধানেই বুধবার রাতে ত্রাণবিলিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হিঙ্গলগঞ্জ।

[আরও পড়ুন: অনুব্রতর পদতলে প্রশাসনিক কর্তা! ‘মহাগুরু’ সম্বোধন করে ফেসবুক পোস্টে প্রবল বিতর্ক]

জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দীপ্তি মণ্ডলের বাড়িতে চড়াও হন বেশ কিছু বিজেপির কর্মী-সমর্থক। ত্রান বিলির জন্য একটি কমিটি গঠনের দাবি জানান তাঁরা। বিজেপির দাবি, কথা বলে সেখান থেকে বেড়িয়ে যান তাঁরা। সেই সময় ওই এলাকা থেকে তৃণমূলের একটি মিছিল যাচ্ছিল। অভিযোগ, মিছিল থেকে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা  বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর চড়াও হয়। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁদের। আহত হন প্রায় ১০ জন। সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থতি। এরপর পুলিশের তরফেই আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। তাঁদের পালটা অভিযোগ, বিজেপি চক্রান্ত করে শাসকদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। 

[আরও পড়ুন: অভিনব উদ্যোগ মমতার, বুলবুল বিধ্বস্তদের নিত্যপ্রয়োজনে ‘ডিগনিটি কিট’ দিচ্ছে রাজ্য]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং