২৬ কার্তিক  ১৪২৬  বুধবার ১৩ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

বাবুল হক, মালদহ: পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীর পচা গলা দেহ মিলল কলেজের কাছেই এক ধানখেতে। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, অপহরণ করে খুন করা হয়েছে তাঁকে। অভিযোগের জেরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাত্রীর হবু স্বামীকে। শুক্রবার রাতে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদার রতুয়াতে।

সামসি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মরজিনা খাতুন (২২) গত ১৪ অক্টোবর থেকে নিঁখোজ। পরিবারের তরফে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে রতুয়া থানার পুলিশ তদন্তে নেমে মরজিনার হবু স্বামী ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত স্থানীয় যুবক বাপি শেখকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রতুয়ার বাহারালের উত্তর সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মনসুর শেখের মেয়ে, সামসি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মরজিনা খাতুনের বিয়ে স্থির হয় রুকুন্দিপুর গ্রামের বাপি শেখের সঙ্গে। বাপি শেখ সেনাবাহিনীতে কর্মরত বলেই জানা গিয়েছে। বিয়ের সামাজিক প্রথা মেনে ‘মোহর’ও হয়ে যায়। বিয়ের বাকি অনুষ্ঠান মরজিনার পড়াশোনা শেষ করার পরেই হওয়ার কথা ছিল দুই পরিবারের মধ্যে।

[ আরও পড়ুন: নিমতাকাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তার, পুলিশের জালে নিহত দেবাঞ্জনের বন্ধু ]

মরজিনার পরিবারের অভিযোগ, গত ১৪ অক্টোবর বাপি শেখ মরজিনাকে সামসিতে কলেজের কাছে দেখা করার জন্যে ডাকে। যেহেতু তাদের মধ্যে বিয়ে স্থির হয়ে আছে তাই মরজিনার বাবা, মা বাধা দেননি। মরজিনা দুপুরের আগেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু সন্ধ্যের পরেও ফিরে না এলে তাঁরা উদ্বিগ্ন হন। খোঁজ শুরু হয়। ফোন করা হয় বাপিকে। কিন্তু বাপি জানান, সেদিন নাকি মরজিনা তাঁর সঙ্গে দেখাই করেনি। এরপরেও মরজিনা ফিরে না এলে রাতেই রতুয়া থানায় অভিযোগ জানায় মরজিনার পরিবার। পুলিশ তৎপর হয়ে তদন্তে নামে। পরে গ্রেপ্তার করা হয় বাপিকে। ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় বাপিকে। কিন্তু খোঁজ মেলে না মরজিনার। অবশেষে শুক্রবার রাতে তাঁর পচা গলা দেহ মেলে সামসি কলেজ যাওয়ার রাস্তায় এক ধানক্ষেত থেকে। সূত্রের খবর, রুকুন্দপুর গ্রামেই জনৈক মহিলার সঙ্গে বাপির ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। বাপির বিয়ে স্থির হয়ে যাওয়ার পরে সেই মহিলার পরিবার এবং বাপির পরিবারের মধ্যে বিরোধ বাধে। বিবাদ তুঙ্গে উঠলে মধ্যস্থতা করেন গ্রামবাসীরা। গ্রামের মধ্যে সালিশি সভা বসিয়ে দুই পরিবারের বিবাদ মেটানো হয়। মরজিনার খুনের পিছনে এই ঘটনার কোনও যোগ আছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

[ আরও পড়ুন: খনিগর্ভে ঢুকতে নারাজ, গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার হুমকি শ্রমিকের ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং