×

৭ চৈত্র  ১৪২৫  শনিবার ২৩ মার্চ ২০১৯   |   শুভ দোলযাত্রা।

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: পারিবারিক অশান্তির জের৷ স্ত্রী এবং দুই কন্যাসন্তানের উপর অ্যাসিড হামলা এক ব্যক্তির৷ মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের খেঁজুরিতে৷ স্বামীর ছোঁড়া অ্যাসিডে শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে ওই মহিলার৷ দুই শিশুকন্যা-সহ ওই মহিলা তমলুক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন৷ ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত৷

[প্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণ হুগলিতে, ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর জানল পুলিশ]

বেশ কয়েক বছর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হেঁড়িয়ার বাসিন্দা বিদ্যাসাগর মান্নার সঙ্গে বিয়ে হয় মান্টির৷ অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই অশান্তি চলত৷ বিদ্যাসাগর প্রায়ই তার স্ত্রীর উপর মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার করত বলেও অভিযোগ৷ দম্পতির দু’টি কন্যাসন্তানও রয়েছে৷ মহিলার আরও অভিযোগ, কন্যাসন্তান হওয়ার পর থেকে অত্যাচার আরও বাড়তে থাকে৷ অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাপেরবাড়ি চলে আসেন ওই মহিলা৷ দিনকয়েক আগে শ্বশুরবাড়ি আসে বিদ্যাসাগর৷ তার একটাই ইচ্ছা স্ত্রী ও কন্যাসন্তানকে নিজের বাড়িতে ফেরত নিয়ে যাওয়া৷ কিন্তু তাতে রাজি হননি ওই গৃহবধূ৷ এ নিয়েই অশান্তি চলছিল দু’জনের৷ শুক্রবার সন্ধেয় বাপেরবাড়িতে দুই শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে টিভি দেখছিলেন ওই গৃহবধূ৷ সেই সময় বিদ্যাসাগর তার বাড়িতে আসে৷ দু’জনের সঙ্গে ঝগড়া শুরু হয়৷ অভিযোগ, ঝগড়াঝাটি চলাকালীন স্ত্রীকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছোঁড়ে বিদ্যাসাগর৷ মাকে ছটফট করতে দেখে কাছে এগিয়ে আসে দুই শিশুকন্যা৷ অ্যাসিডে ঝলসে গিয়েছে তাদের শরীরও৷ মহিলা এবং তাঁর সন্তানদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজনেরা জড়ো হয়ে যান৷ চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় প্রতিবেশীরা৷ ইতিমধ্যে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ওই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত বিদ্যাসাগর৷ স্থানীয়দের উদ্যোগে দুই শিশু-সহ ওই মহিলাকে তমলুক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ মহিলার শরীরে প্রায় ৭০ শতাংশ অ্যাসিডে ঝলসে গিয়েছে৷ হাসপাতালের বেডে শুয়েই আপাতত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন শিশু-সহ মহিলা৷

[হাইটেনশন তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ২ হাতির, তদন্তে বনদপ্তর]

এই ঘটনায় খেঁজুরি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলার বাপেরবাড়ির লোকজন৷ অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ খোঁজখবর শুরু করেছে৷ তবে এখনও অধরা অভিযুক্ত৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং