BREAKING NEWS

১৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ 

Advertisement

‘পরমান্ন ভাইফোঁটা থালি’ প্যাকেজে মজে বর্ধমান

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: November 9, 2018 1:32 pm|    Updated: November 9, 2018 1:32 pm

An Images

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: ভাইফোঁটা। ভাই-বোনের মিষ্টির মধুর সম্পর্কের বন্ধনে মিষ্টি যেন অপরিহার্য। সারা বছর রসগোল্লা-পান্তুয়ায় মন ভরলেও ভাইফোঁটার মিষ্টি একটু ‘হটকে’ না হলে কী আর চলে। সব বোনরাই চান বাজারের সেরা মিষ্টি দিয়েই ভাইয়ের মিষ্টিমুখ করাতে।

এবার বর্ধমানের ভাইফোঁটার বাজারেও মিষ্টান্নের হাজারো ভ্যারাইটি এসেছে। তার মধ্যে সবথেকে হিট করে গিয়েছে ভগবানের পরমাণ্ণ ভাইফোঁটা থালি। একেবারে সাজানো গোছানো প্যাকেজ আর কী। মাটির থালায় থরে থরে সাজানো বিভিন্ন পদ। পদগুলিও নতুন ধরনের। আইসক্রিম সন্দেশ, কেশর ভোগ, কেশর মালাই, পোলাও, কাশ্মীরি পোলাও, আবার খাব সন্দেশ-সহ ১০ রকমের মিষ্টান্ন দিয়ে সাজানো হয়েছে এই থালি। দামও সাধ্যের মধ্যেই। প্রতিটি থালির দাম মাত্র ৩০০ টাকা। হট কেক-এর মতোই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ভাইফোঁটা থালি। দোকান মালিক তাপস সেন জানালেন, প্রতিবছরই ভাইফোঁটায় নতুন কিছু আনার চেষ্টা করেন তাঁরা। এবার ভাইফোঁটা থালি এনেছেন তাঁরা।

[ভাইফোঁটায় মিলছে ভিন্ন স্বাদের মিষ্টি, চমক তমলুকে]

উলটোদিকেই গণেশ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। তাদের চাহিদার তালিকায় সীতাভোগ-মিহিদানা অবশ্যই। থালি এলেও বর্ধমানের গর্ব সীতাভোগ-মিহিদানার জন্য বৃহস্পতিবারও লাইন পড়ে শহরের বিখ্যাত এই দোকানে। সুদেষ্ণা পাল ভাইফোঁটা থালির পাশাপাশি এদিন সীতাভোগ-মিহিদানাও কিনলেন। তাঁর কথায়, “নতুন পদ তো ভাইকে খাওয়াতে হবে। সঙ্গে ঐতিহ্যের সীতাভোগ-মিহিদানা না হলে চলবে না। এটা ভাইকে দিতেই হবে।” আজ, শুক্রবার ভাইফোঁটা। তাই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই বর্ধমান শহরের মিষ্টির দোকানগুলিতে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায় ক্রেতাদের। অতীতের অভিজ্ঞতা বলে, সন্ধ্যার পর গেলে ভাল মিষ্টি আর নাও মিলতে পারে। তাই আগেভাগেই মিষ্টির দোকানে লাইন দেন ক্রেতারা।

শহরের পার্কাস রোডের আর এক বিখ্যাত দোকানেও এবার রকমারি মিষ্টান্ন এনেছে ভাইফোঁটা স্পেশাল হিসেবে। দোকানদার প্রদীপ ভকত জানান, এবার তাঁরা নলেনগুড়ের দুধ কালাকাঁদ বানিয়েছেন ভাইফোঁটা উপলক্ষে। ১০ টাকা থেকে দাম শুরু। পাশাপাশি, প্যাটিস, পটলভোগ, মালাই কোপ্তা, রসরাজ, স্যান্ডউইচের ভাল চাহিদা এবারের ভাইফোঁটার বাজারে। প্রদীপবাবু জানান, শুধু তাঁর দোকানি নয়, সব মিষ্টির দোকানেই এদিনটায় ব্যাপক ভিড় হয়। তাই ক্রেতারা যাতে সুষ্ঠুভাবে কেনাকাটা করতে পারেন তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয় তাঁদের। লাইন দিয়ে এক এক করে ক্রেতাদের দোকানের প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement