২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীকে। কোনওক্রমে ফোন করার চেষ্টা করতে গেলে, কেড়ে নেওয়া হচ্ছে ফোন। সম্প্রতি এমনই এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। আর সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধানের গাড়ি আটকে চাঁদা তোলার শাস্তিস্বরূপ বেঁধে রেখে হেনস্থা করা হয়েছে ওই জামতোড়িয়া ফাঁড়ির ওই পুলিশকর্মীকে।  

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে জামতোড়িয়া ফাঁড়ির ফুলবেড়িয়া মোড় এলাকা থেকে একটি ধানের গাড়ি যাচ্ছিল, সেই সময় জামতোড়িয়া ফাঁড়ির কনস্টেবল সমীর দে চালকের কাছে থেকে কালীপুজোর চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ। কিন্তু তাঁর দাবি মোতাবেক চাঁদা দিতে রাজি হননি চালক। অভিযোগ, এরপরই চালকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি কেড়ে নেন কনস্টেবল। এতেই অশান্তির সূত্রপাত। 

[আরও পড়ুন: আস্থা ভোটে নিরঙ্কুশ জয় তৃণমূলের, বিজেপির হাতছাড়া নৈহাটি পুরসভা]

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাস্তায় ভিড় জমে যায়। চাঁদার জন্য পুলিশের এমন জুলুমবাজির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই হতে শুরু হয় বিক্ষোভ। সেই সময় ওই কনস্টেবল নিজেই ধান বোঝাই গাড়িটি সরাতে গেলে একটি বাড়িতে ধাক্কা মারে। তখনই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই কনস্টেবলকে দড়ি দিয়ে গাড়ির সঙ্গে বেঁধে ফেলে স্থানীয়রা। চলে মারধর, গালিগালাজ। হেনস্থা। পরে অবশ্য জামতোড়িয়া ফাঁড়ি ও বোরো থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী কনস্টেবলকে উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই জামতোড়িয়া ফাঁড়িতে কর্মরত সমীর দে নামে ওই কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই ঘটনার জেরেই বোরো থানার ওসি তুফান কুমার দাঁকেও পদ থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। 

অন্যদিকে, কালীপুজোর জন্য চাঁদা বেঁধে দেওয়ায় বিতর্কে জড়িয়েছে ঝালদা থানার পুলিশও।চাঁদা নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ায় আইএনটিইউসি অনুমোদিত পুরুলিয়া মোটর মজদুর সমাজ ঝালদা ব্রাঞ্চ পুলিশকে নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডাকে। কিন্তু বুধবার ঝালদার মজুদর ভবনের ওই বৈঠকে পুলিশ আসেনি। ঝালদা থানার তত্ত্ববধানে চলা কালীপুজো কমিটির এক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক নির্মল কুমার বলেন, “ঝালদা থানার পুলিশ ধার্য করা চাঁদা থেকে সরে এসেছে। কুপনগুলিও তুলে নিয়েছে। তাঁরা জানিয়েছে তাদের পুজো কমিটিকে ইচ্ছেমত অনুদান দিলেই হবে।” কিন্তু এদিনের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।    

[আরও পড়ুন:তৃণমূল কর্মীকে খুনের চেষ্টা, গণপিটুনিতে মৃত্যু অভিযুক্তের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং