৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: সামনেই পুজো। আর পুজো মানেই বেশ কয়েকদিনের টানা ছুটি। তাই দশমীর পর অনেকেই ঘুরতেই যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। ফলে ইতিমধ্যেই এবারের ছুটির ডেস্টিনেশন কী হতে পারে তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছেন ভ্রমণপিপাসুরা। আর যারা এবারের পুজোর ছুটিতে দার্জিলিং পাহাড় ঘোরার চিন্তাভাবনা করে রেখেছেন, তাঁদের জন্য রয়েছে সুখবর। কারণ, চলতি সেপ্টেম্বরেই খুলে যাচ্ছে পাহাড়ের দুটি বন্ধ থাকা রেল স্টেশন সোনাদা এবং গয়াবাড়ি।

[আরও পড়ুন:প্রেমিককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার কিশোরী, চাঞ্চল্য নদিয়ায়]

সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই চালু হতে পারে গয়াবাড়ি স্টেশন, রেলের তরফে এমনই সবুজ সংকেত মিলেছে। অন্যদিকে, সোনাদা স্টেশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আশা করা যাচ্ছে মাসের শেষের দিকে সেটাও চালু হয়ে যাবে। ফলে যাদের পুজোর ছুটির গন্তব্যের তালিকায় দার্জিলিংয়ের নাম রয়েছে তাঁরা এই দুটি স্টেশনই ঘুরে দেখতে পারবেন বলে ধরে নেওয়া যেতেই পারে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের তরফে কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম রবীন্দ্রকুমার বর্মা বলেন, “দুটি স্টেশনের কাজই শেষ হয়ে এসেছে। এর মধ্যে গয়াবাড়ি একেবারে প্রস্তুত। অন্যদিকে, সোনাদাও প্রায় শেষের পথে।”

gayabari
গয়াবাড়ি স্টেশন

সেপ্টেম্বরের ১৩ ও ১৪ তারিখ উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে এবং ইউনেসকো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির সদস্যদের। সেখানে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের উন্নতি এবং এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নানারকম পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। তাই অবিলম্বে অন্তত একটি স্টেশন সম্পূর্ণ খুলে দিতে তৎপর রেল। হেরিটেজ কমিটির তরফে দর্জিলিং হিমালায়ান রেলওয়ে নিয়ে যেন কোনও রকম সমস্যা তৈরি না হয়, সে বিষয়টি নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেল কর্মীদের। দু’টি স্টেশনকে সংস্কার ও নতুন করে সাজিয়ে তুলতে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে বলে রেলের তরফে খবর।

      [আরও পড়ুন: পুরুলিয়ার টুরগা প্রকল্পের বিরোধিতায় তথ্যচিত্র প্রদর্শন, পুলিশের জালে নির্মাতা-সহ ২]

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের 8 জুন পৃথক রাজ্যের দাবিতে সোনাদা স্টেশনটি পুড়িয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। ১৩ জুন গয়াবাড়ি স্টেশনটিও পুড়িয়ে দেয় বনধ সমর্থকরা। তারপর থেকে দীর্ঘদিন ওই অবস্থাতেই পড়েছিল দু’টি স্টেশন। এর ফলে ঐতিহ্যশালী এবং হেরিটেজ তকমাপ্রাপ্ত দর্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত স্টেশন দু’টি পুনরায় চালু হলে তা অনেকটাই পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা সকলের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং