১১ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১১ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (CAB) নিয়ে কার্যত অগ্নিগর্ভ অসম। ডিব্রুগড়ে কারফিউ শিথিল হলেও গুয়াহাটিতে জারি হয়েছে এখনও। বিক্ষোভ, আন্দোলন, গণ অনশনে উত্তপ্ত গোটা রাজ্য। কিন্তু সেসব উপেক্ষা করেই CAB নিয়ে বিরোধিতায় নেমেছে অসমবাসী। পিছিয়ে নেই বুদ্ধিজীবীরাও। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতায় পথে নেমেছেন তাঁরাও। অসমের এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রখ্যাত অভিনেতা আদিল হুসেন। যিনি অসমের ভূমিপুত্র।

সোমবার লোকসভায় নাগরিকত্ব বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই মূলত উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিরোধীতা করে আদিল হুসেন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে (Citizenship Amendment Bill) সর্বকালের সেরা মূর্খতা’র তকমা সেঁটেছেন। টুইটারে বেশ কয়েকটা টুইটে আদিল উষ্মা প্রকাশ করেছেন CAB নিয়ে। এই বিলটি মানুষের মৌলিক পরিচয়কেও হত্যা করছে বলে অভিমত বলিউড অভিনেতার।

CAB-protest

CAB প্রসঙ্গে আদিল হুসেনের মত, “অসম খুব কষ্টে আছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা অচলাবস্থা কাটিয়ে অসম সদ্য স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। তবে আমাদের নেতা-মন্ত্রীরা অসমের জটিল পরিস্থিতি এবং সাংস্কৃতিক কাঠামোর ব্যাপারে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল জোর করে চাপিয়ে দেওয়া সরকারের সর্বকালের সেরা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়।”

[আরও পড়ুন: CAB-এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মহুয়া মৈত্র, দ্রুত শুনানির আরজি শুনলেন না প্রধান বিচারপতি]

CAB-এর বিরোধীতা করে প্রতিবাদ করেছেন গায়ক পাপন এবং জুবিন গর্গও। দিল্লির ইমপারফেক্টো শোরে অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার কথা ছিল পাপনের। কিন্তু শো বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পাপন, “প্রিয় দিল্লি, আমি খুব দুঃখিত কনসার্টটি বাতিল করার জন্য। দিকে দিকে কারফিউয়ের জেরে আমার রাজ্য অসম কাঁদছে, জ্বলছে। এই পরিস্থিতিতে আমি মানুষকে গান শোনানোর অবস্থায় নেই।… আমার অসুবিধাটা বোধহয় আপনারা বুঝতে পারবেন। অসমে মানবতাই আক্রান্ত। বছরের পর বছর ধরে অসমে এই অনুপ্রবেশ ঘটেই চলেছে। এটা আমাদের কাছে প্রাপ্য নয়। অসমের বহুত্ববাদ কীভাবে রাজ্যের সংস্কৃতির সঙ্গে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে, সেদিকটাও দেখতে হবে।” জুবিনের কথায়, “একাত্তরের পর যদি ভগবানও আসেন, তাঁকেও অসমে জায়গা দেওয়া হবে না। এই CAB মানব না। জাতিদ্রোহী এক আইন পাশ করা হল। এর প্রতিবাদ চলবে। অসম কখনও বাংলাদেশিদের চারণভূমি হতে পারে না।” পরিস্থিতি এখন এতটাই ভয়াবহ, যে সিঁদুরে মেঘ দেখছে গোটা ভারত। শঙ্কিত মনে প্রশ্ন উঠছে, CAB-কে ঘিরে কি ফের আটের দশকের রক্তাক্ত দিনগুলি ফিরবে উত্তর-পূর্বে?

[আরও পড়ুন: এবার কি তবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি? জল্পনা বিজেপির অন্দরেও]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং