BREAKING NEWS

১৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  সোমবার ৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

‘ঝুন্ড’ নিয়ে আইনি গেরোয় অমিতাভ, ধরানো হল নোটিস

Published by: Bishakha Pal |    Posted: November 18, 2019 12:00 pm|    Updated: November 18, 2019 12:00 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিবাজিকে ছত্রপতি না বলায় কিছুদিন আগে সমস্যায় পড়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। তবে মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ানোর আগেই থেমে যায়। প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে নেন বিগ বি। কিন্তু এবার আর নিজেকে বাঁচাতে পরলেন না। ‘ঝুন্ড’ ছবির কপিরাইট ইস্যুতে ফেঁসে গেলেন তিনি। কপিরাইট ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

হায়দরাবাদের চলচ্চিত্র নির্মাতা নন্দী চিন্নি কুমার আমিতাভ বচ্চনকে এই নোটিস পাঠিয়েছেন। অবশ্য শুধু অমিতাভই নন, নোটিস পাঠানো হয়েছে ‘ঝুন্ড’-এর পরিচালক নাগরাজ মঞ্জুলে ও প্রযোজক কৃষণ কুমারকে। এছাড়া টি-সিরিজের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভূষণ কুমারকে পাঠানো হয়েছে নোটিস। এই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন অমিতাভ। তাই নোটিস ধরানো হয়েছে তাঁকেও।

[ আরও পড়ুন: অসুস্থ নুসরত জাহান, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভরতি কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ]

শর্টিফিল্ম নির্মাতা নন্দী চিন্নি কুমারের অভিযোগ, বসতির সকাল খেলোয়াড় অখিলেশ পালের জীবনকাহিনি তাঁকে আকৃষ্ট করেছিল। তাই এনিয়ে একটি ছবি বানাতে চেয়েছিলেন তিনি। নাগপুরের বসতি থেকে উঠে এসে সকারের দুনিয়ায় খ্যাতি অর্জন করেছিলেন অখিলেশ পাল। হোমলেস ওয়ার্ল্ড কাপে তিনিই ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই গোটা বিষয়টাই তাঁর চিত্রনাট্য রয়েছে। এমনকী, ২০১৮ সালের ১১ জুন তিনি তেলেঙ্গানা সিনেমা রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনে তাঁর ছবির গল্প ও চিত্রনাট্য পাঠান বলেও জানান নন্দী চিন্নি কুমার। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই বিষয়টি ‘ঝুন্ড’ ছবিতে কীভাবে দেখানোর অনুমতি মেলে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

পরিচালকের অভিযোগ, ‘ঝুন্ড’ ছবির গল্প অখিলেশ পালের উপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে না ঠিকই। ছবিটি অখিলেশ পালের কোচ বিজয় বারসের জীবন নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ছবিতে অখিলেশের উপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর এখানেই তাঁর আপত্তি। তাঁর অভিযোগ, এতে কপিরাইট লঙ্ঘিত হচ্ছে। যার স্বত্ব তিনি ইতিমধ্যেই কিনে রেখেছেন, তা অন্য পরিচালকের ছবিতে কীভাবে ব্যবহৃত হয?

[ আরও পড়ুন: পঞ্চমবার প্রতীম-পাওলি ম্যাজিক, ‘লাভ আজ কাল পরশু’র গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনেত্রী ]

যদিও ‘ঝুন্ড’-এর অন্যতম প্রযোজক সবিতা রাজ জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে অখিলেশ পালের কপিরাইটও রয়েছে। অন্যদিকে নন্দী চিন্নি কুমারেরও দাবি, তিনি ৪ লক্ষ টাকা দিয়ে কপিরাইট কিনেছিলেন। প্রথমে অখিলেশ বিক্রি করতে চাননি। কিন্তু অনেক অনুনয় বিনয় করে রাজি করাতে হয়েছে। যদিও এ নিয়ে আইনি লড়াই এখনও চলছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়ান মুভি পিকচার্স প্রোডিউসর অ্যাসোসিয়েশন ও তেলেঙ্গানা সিনেমা রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের দ্বারস্থ হয়েছেন নন্দী চিন্নি কুমার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement