৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন অভিনেত্রী অপর্ণা সেন। কল্যাণীতে পার্শ্বশিক্ষকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে মুখ খুললেন তিনি। আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে তিনি বললেন, “শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আক্রমণ করেছে পুলিশ। শিক্ষিকারা যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন। আমি শহরে ছিলাম না। থাকলে আপনাদের পাশে দাঁড়াতাম। তবে আমার সহানুভূতি আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ম্যাডাম! দোষীদের খুঁজে বের করা ও শাস্তি দেওয়া আপনার উপর নির্ভর করে।”

সল্টলেকের করুণাময়ীতে কিছুদিন আগে বেতনবৃদ্ধির দাবিতে সরব হন শিক্ষাবন্ধুরা। এরপর শনিবার ওই একই দাবি নিয়ে কল্যাণীতে বিক্ষোভে বসেন আংশিক সময়ের শিক্ষকরা৷ দিনভর তাঁদের বুঝিয়ে বিক্ষোভ তোলার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় পুলিশ৷ অভিযোগ, এরপরই রাতে আলো নিভিয়ে শিক্ষকদের উপর অত্যাচার চালানো হয়৷ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ৷ মারধর করা হয় পুরুষদের৷ মহিলাদের অনেকেরই শাড়ি, ব্লাউজ ছিঁড়ে দেওয়া হয়৷ এরই প্রতিবাদে রবিবারও আন্দোলন করেন প্রতিবাদীরা৷ এরপর রবিবার রাতেই টুইটে শিক্ষকদের পাশে থাকার বার্তা দেন অপর্ণা সেন। পাশাপাশি কৌশিক সেন, সোহাগ সেন, ঋদ্ধি সেন, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্টজনেরা একযোগে ঘটনার প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠিও দেন।

[ আরও পড়ুন: স্টেশনে কাঁচি নিয়ে যুবতীর উপর হামলা, চাঞ্চল্য বেলুড়ে  ]

পরিচালকের এমন পদক্ষেপের মধ্যে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ অপর্ণা ইতিমধ্যেই একাধিক অবস্থান বিক্ষোভে গিয়েছেন। কথা বলেছেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। এর আগে এনআরএস হাসপাতালে যখন চিকিৎসক নিগ্রহ নিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা বিক্ষোভ করেছিলেন, তখন সেখানে গিয়েছিলেন অপর্ণা সেন। ভাটপাড়া যখন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত ছিল, তখনও তিনি গিয়েছিলেন সেখানে। এই দু’ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু কিছুদিন আগে অসহিষ্ণুতা ও গণপিটুনি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন অপর্ণা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এরপর অপর্ণার সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক আরও একবার ঝালিয়ে নিতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের সময় তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করেছিলেন পরিচালক। এবার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাওয়ার পর সেই মমতারই বিরোধিতা করেন অপর্ণা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ইস্যু নিয়ে দূরত্ব কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলেই হয়তো আশা করা হয়েছিল। এখন দেখা যাচ্ছে সে গুড়ে বালি। রাজ্য হোক বা কেন্দ্র, অপর্ণা এখন প্রশাসনের সঙ্গে কোনওরকম আপস করতে চান না বলেই মত অভিজ্ঞমহলের।

[ আরও পড়ুন: অনির্দিষ্টকালের ট্রাক ধর্মঘটে ভিনরাজ্যের জোগানও বন্ধ, থমকে সীমান্ত বাণিজ্য ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং