৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ক্ষীরোদদীপ্তি ভট্টাচার্য: রাজ্য বামফ্রন্টের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন প্রমোদ দাশগুপ্ত। পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশে বামপন্থী রাজনৈতিক জোট গঠনের ক্ষেত্রে তাঁকে পথিকৃৎ বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বিমান বসু, শ্যামল চক্রবর্তী, সুভাষ চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর মতো নেতারা কমিউনিস্ট শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছিলেন। প্রমোদ দাশগুপ্তর হাত ধরেই বুদ্ধবাবু চিনে গিয়েছিলেন। সেখানেই প্রমোদবাবুর মৃত্যু হয়। বরাবরই চিন সম্পর্কে আগ্রহ ছিল বুদ্ধবাবুর। চিনের বিপ্লব থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত, অর্থাৎ আধুনিক চিনের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বদল কমিউনিজমকে ঘিরেই বিকশিত হয়েছে। এবার পুজোয় এই গোটা পর্বটি দু’মলাটের মধ্যে সংযোজিত করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

[আরও পড়ুন: বাবুলের কাছে ক্ষমা চাইল হেনস্তাকারী দেবাঞ্জন! পড়ুয়ার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা]

শনিবার এনবিএ থেকে প্রকাশিত হয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর বই ‘স্বর্গের নিচে মহা বিশৃঙ্খলা।’ বইটির দাম ষাট টাকা। আজ, রবিবার থেকেই বইটি পাওয়া যাবে। বুদ্ধবাবু গুরুতর অসুস্থ। অক্সিজেন ছাড়া তিনি চলতে পারেন না। দেড় বছরের বেশি সময় অসুস্থতার কারণে ঘরবন্দি। সম্প্রতি হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু ঘটনা হল এই দেড় বছরের সময়কালে অসুস্থতাকে সরিয়ে রেখে তিনি লেখা-পড়া চালিয়ে গিয়েছেন। তার ফলেই এই বই প্রকাশ। অন্তত এমনটাই বলা হয়েছে এনবিএ’র পক্ষ থেকে। প্রচারবিমুখ বুদ্ধবাবুর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, তাঁর বই প্রকাশ নিয়ে কোনওরকম অনুষ্ঠান হবে না। আলিমুদ্দিন সেই নির্দেশ মেনে নিয়েছে। ঠিক এক বছর আগে হিটলারের সময় জার্মানির কী অবস্থা ছিল, তা নিয়েও একটি বই প্রকাশ করেছিলেন বুদ্ধবাবু। এবার বামপন্থীদের কাছে চিন সম্পর্কে তাঁর এই মূল্যায়ন অনেকটাই আগ্রহ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং