BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অমর্ত্য সেন ‘বিশ্বাসঘাতক’, নোবেলজয়ীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 29, 2018 8:43 am|    Updated: January 29, 2018 8:47 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। অমর্ত্য সেনকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে তাঁর অভিযোগ, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে দেশের টাকা লুট করা ছাড়া আর কিছুই করেননি অমর্ত্য সেন

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। বিজেপি সরকার বেছে বেছে আরএসএস নেতাদের ‘পদ্ম’ পুরস্কার দিচ্ছে বলে অভিযোগে সরব হয় কংগ্রেস। ওই অভিযোগের পালটা বক্তব্যে সংবাদ সংস্থা এএনআই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেন, ‘আরএসএস কর্মীরাও ভারতের নাগরিক। তাঁরা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে দেশের সেবা করে চলেছে কোনও পুরস্কারের লোভ ছাড়াই।’ এরপরই অমর্ত্য সেনকে নিশানা করে স্বামী বলেন, ‘এনডিএ সরকার অমর্ত্য সেনকে ভারতরত্ন দিয়েছে। কী এমন করেছেন তিনি? নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে লুট করেছেন শুধুমাত্র। বাম ঘেঁষা ও সোনিয়া গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদেই ওই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।’

[পছন্দ নিরাপদ যৌনতা, অবিবাহিত মহিলাদের মধ্যে কন্ডোমের চাহিদা বেড়েছে ৬ গুণ]

বস্তুত, ১৯৯৯-তে অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন সরকার ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার ‘ভারতরত্ন’ অমর্ত্য সেনের হাতে তুলে দেন। সেই প্রসঙ্গত টেনেই এবার অমর্ত্য সেনকে তীব্র বাক্যবাণে বিঁধলেন স্বামী। স্বামী বেজায় চটেছেন কংগ্রেসের উপরেও। কংগ্রেস নেতা রণদীপ সিং সূরজেওয়ালা টুইটারে অভিযোগ তোলেন, বেছে বেছে আরএসএসপন্থী বিশিষ্টদেরই নাকি পদ্ম পুরস্কার দিচ্ছে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে তিনি সংগঠনের নেতা বেদ প্রকাশ নন্দ, কেরলের আরএসএস প্রচারক পি পরমেশ্বর-সহ পাঁচজনের নাম করে অভিযোগে সরব হয়েছেন।তারই পালটা দিতে গিয়ে কি শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে ফেললেন বিজেপি সাংসদ? বাংলার বিশিষ্টরা কিন্তু এমনটাই বলছেন।

অমর্ত্য সেনের বিরুদ্ধে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের রাগের বহিঃপ্রকাশ এই প্রথম নয়। ভারতের মতো দেশে নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের কোনও যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন৷ জানিয়েছিলেন, এ শুধু ভুল সিদ্ধান্ত নয়, কত বড় ভুল সিদ্ধান্ত তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে৷ যাঁরা নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের বড় হাতিয়ার ছিল অর্থনীতিবিদের এ বক্তব্য৷ তাঁর ওই বক্তব্যের বিরুদ্ধে নাম না করে সরব হন খোদ প্রধানমন্ত্রী৷ উত্তরপ্রদেশের এক সভা থেকে তিনি জানিয়ে দেন, হার্ভার্ডের থেকে কঠোর শ্রমের শক্তি অনেক বেশি৷ অভিযোগ রয়েছে, মোদি বিরোধী হওয়ার জন্যই নাকি তাঁকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রকে ছাড়পত্র দেয়নি সেন্সর বোর্ড। বোর্ডের আপত্তির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেছেন, “সমস্ত বিরোধী কন্ঠকে দমিয়ে রাখা হচ্ছে।”

[কাবুলে জঙ্গি হানায় অস্ত্র সরবরাহ করেছে পাক সেনা, দাবি আফগান কূটনীতিকের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement