৫ মাঘ  ১৪২৫  রবিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “ভারতে সফলভাবে জোট রাজনীতির আগমন ঘটিয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। বিজেপি সবসময় অটলজির দেখানো রাস্তায় চলে। শক্তিশালী এনডিএ শুধু প্রয়োজন নয়, এটা আমাদের আত্মবিশ্বাস।”, বক্তা নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল লোকসভায় যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে বিজেপি এআইএডিএমকে, ডিএমকে বা রজনীকান্তের দলের সঙ্গে জোট করবে কিনা। এ প্রশ্নের জবাবে মোদি জানিয়ে দিলেন বিজেপির জন্য সব রাজনৈতিক দলের রাস্তা খোলা। তিনি আরও বলেন, “আমরা সঙ্গীদের নিয়ে সরকার চালানোর পক্ষে। যখন আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিলাম তখনও জোটসঙ্গীদের নিয়েই সরকার চালিয়েছি।” নরেন্দ্র মোদি একথা বলেন তামিলনাড়ুর কর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলার সময়।

[সীতারমণকে নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে রাহুল, নোটিস মহিলা কমিশনের]

২০১৪ সালে তিন দশক পর প্রথমবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকে মোদি-শাহ জুটির দাপটে একের পর এক রাজ্য দখল করেছে গেরুয়া শিবির। একসময় মোদির রথকে অপ্রতিরোধ্য মনে হচ্ছিল। সেই সঙ্গে জোটসঙ্গীদের প্রতি বিজেপির দাদাগিরি সুলভ আচরণ বারবার আতস কাচের তলায় এসেছে। শিব সেনা, টিডিপি, আরএলএসপির মতো দলগুলি গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে জোট ছেড়েছে। ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবিরে যোগ দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু, উপেন্দ্র কুশওয়াহ। শিব সেনা যেন এই মুহূর্তে বিজেপির চরমতম শত্রু। একে একে সঙ্গীহারা হওয়ার পিছনে মোদি-শাহদের ‘বিগ ব্রাদার’ মানসিকতাকেই দায়ী করে এই দলগুলি। তাছাড়া দেশের পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে বছরখানেক আগে থেকে। একের পর এক উপনির্বচনে বিজেপির হার আভাস দিচ্ছিল হাওয়া বদলের। তিন রাজ্যে কংগ্রেসের হাতে পরাজয় সেই আভাসকে ইঙ্গিতে পরিণত করেছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের।

[অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক হচ্ছে হিন্দি শিক্ষা! তুঙ্গে জল্পনা]

এই পরিস্থিতিতে তামিলনাড়ুর কর্মীদের উদ্দেশে পরিষ্কার জোট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। আসলে, দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এখনও সেভাবে জমি তৈরি করতে পারেনি গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকের জোট প্রায় নিশ্চিত। তাই, কংগ্রেসকে টক্কর দিতে গেলে জোটসঙ্গীর প্রয়োজন হবে গেরুয়া শিবিরেরও। সেকারণেই মোদির এই জোটবার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক একাধিক নির্বাচনী সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে আগামী লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হবে বিজেপি তথা বর্তমান এনডিএ-র পক্ষে। তাই, প্রয়োজন হবে নতুন জোটসঙ্গীর। নরেন্দ্র মোদি শুধু সেই রাস্তায় খোলা রাখছেন।

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং