৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক মডেল ‘সম্পূর্ণ নেতিবাচক বিষয়’ নয়। তাঁর কাজকে স্বীকৃতি না দিয়ে সব সময় তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে গেলে কোনও কাজ হবে না। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশের এই উক্তির পর শুক্রবার তাঁর পাশে দাঁড়ালেন কংগ্রেসের অন্য নেতারা। এই তালিকায় রয়েছেন অভিষেক মনু সিংভি, শশী থারুরের মতো নেতা। টুইটারে সিংভি লিখেছেন, “সব সময় মোদির সমালোচনা ভুল পদক্ষেপ। তিনি শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রীই নন, এই একবগ্গা বিরোধিতাগুলোই উলটে তাঁকে সাহায্য করে। সব কাজেরই একটা ভাল, খারাপ দিক রয়েছে। তাদের বিষয়ভিত্তিক বিচার করা উচিত, ব্যক্তিভিত্তিক নয়।”

[আরও পড়ুন: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল, সঙ্গে তৃণমূল-সহ ৯ বিরোধী দলের প্রতিনিধি]

জয়রামের মতো টুইটে সিংভিও উল্লেখ করেছেন উজ্জ্বলা প্রকল্প ভাল কাজের মধ্যে একটা। এদিন পিছিয়ে ছিলেন না শশী থারুরও। টুইটারে তিনি লিখেছেন, “ছ’বছর ধরে আমি বলে আসছি কথাটা। মোদি ভাল করলে সেটা ভাল বলতে শিখুন। ভুল করলে ভুল বলুন। এতে বিরোধী শিবিরই শক্ত হবে। আমি অন্য নেতাদেরও বলব, জয়রামের বিরোধিতা না করে তাঁর কথা বোঝার চেষ্টা করুন।” গত বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে জয়রাম বলেন, “২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তিনি কী করেছেন, সেটা আমাদের ভাবতে হবে। কাজের মাধ্যমেই মোদি ৩০ শতাংশেরও বেশি মানুষের ভোট পেয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরেছেন। মোদির কাজকে এখন স্বীকৃতি দিতে হবে।”

[আরও পড়ুন: ফের ফিক্সড ডিপোজিটের সুদে কোপ, SBI-এর সিদ্ধান্তে মধ্যবিত্তের ভাঁড়ারে ধাক্কা]

এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে বিজেপি এককভাবে ৩৭.৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে, এনডিএ পেয়েছে ৪৫ শতাংশ ভোট। এদিন জয়রামের গলায় মোদির প্রশংসা শুনে চমকে গিয়েছেন অনেকেই। জয়রাম আরও বলেন, “মোদি এমনভাবে কথা বলেন যা সাধারণ মানুষের মনে ধরেছে। তিনি যে সব কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কাছে সেটা গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। অতীতে কিন্তু এমনটা হয়নি। আমাদের এটা মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমরা যদি সব সময় মোদির বিরোধিতা করি তাতেও আমরা ওঁর সঙ্গে পেরে উঠতে পারব না। তবে আমি কাউকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করতে বলছি না। আমি চাই, প্রশাসন বিশেষ করে অর্থনীতির ক্ষেত্রে মোদি যে পরিবর্তন এনেছেন রাজনীতিকরা তার স্বীকৃতি দেবেন। প্রশাসন ও রাজনীতি আলাদা বিষয়। মোদির প্রশাসনিক মডেলের কারণে যে সামাজিক সম্পর্কগুলি তৈরি হয়েছে সেগুলি সম্পূর্ণ আলাদা।” নিজের বক্তব্যের সাপেক্ষে জয়রাম মোদির উজ্জ্বলা যোজনার কথা উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং