BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লে থেকে ১৫ মিনিটেই শ্রীনগর, এশিয়ার দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ নিয়ে তথ্যগুলি জানেন?

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 4, 2018 11:13 am|    Updated: January 4, 2018 12:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এশিয়ার দীর্ঘতম জোজিলা পাস সুড়ঙ্গ নিমার্ণের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। দ্বিমুখী সুড়ঙ্গটি তৈরি হয়ে গেলে পারস্পরিক দূরত্ব সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে শ্রীনগর ও লেহ। এমনিতেই অত্যাধিক তুষারপাত ও তুষারধসের কারণে বছরের ছমাস শ্রীনগর থেকে লেহ-লাদাখ যাতায়াত বন্ধ থাকে। অন্য সময় শ্রীনগর থেকে লেহ-তে পৌঁছতে সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টার মতো। জোজিলা পাস সুড়ঙ্গ তৈরি হয়ে গেলে ১৫ মিনিটে অতিক্রম করা যাবে সাড়ে তিন ঘণ্টার পথ। জোজিলা পাস নির্মাণ প্রকল্পে কী কী পড়ছে একবার দেখে নেওয়া যাক।

[ভাঙড়ে মাও-যোগ! বেলঘরিয়ায় ধৃত সিপিআইএমএল রেড স্টার-এর ১১ সদস্য]

শ্রীনগর-কার্গিল-লেহ জাতীয় সড়কের ১১ হাজার ৫৭৮ ফুট উচ্চতায় জোজিলা পাসের অবস্থিতি। ভারী তুষারধস ও তুষারপাতের কারণে ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকে জাতীয় সড়ক। স্বাভাবিকভাবেই শীতকালে গোটা দেশের থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে লে। সুড়ঙ্গের নির্মাণকার্য শেষ হলে এই মাসছয়েকের বিচ্ছিন্নতা থেকে মুক্তি পাবে লেহ। কেননা বছরের ১২টা মাসই যাতায়াতের জন্য সুগম থাকবে জোজিলা পাস সুড়ঙ্গ। ভৌগলিক দিক থেকেও সুবিধা হবে। এমনকী লেহ-র আর্থসামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও জোয়াড় আসবে। জোজিলা পাস সুড়ঙ্গের নির্মাণ, দেখভাল ও সুড়ঙ্গ থেকে বেরোনোর সমান্তরাল সড়ক তৈরির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শ্রীনগর লেহ বিভাগে জাতীয় সড়কের ৯৫ কিলোমিটার এলাকা ও জম্মু-কাশ্মীরের ১১৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নির্মাণকার্য চলবে। উপত্যকার বলতাল ও মিনামার্গ এলাকা থেকে সুড়ঙ্গটি যাবে। সুড়ঙ্গ নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর কাজ শেষ হতে সময় লাগবে সাত বছর। গোটা প্রকল্পের বাস্তবায়নে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। প্রায় পাঁচ হাজার কোটি শুধু নির্মাণ কাজেই ব্যয় হবে। সাত হাজার কোটির মধ্যে মধ্যেই ধরা হয়েছে পুনর্বাসন, প্রাক নির্মাণ সংক্রান্ত খরচ ও সুড়ঙ্গ দেখভাল বাবদ খরচ।

শ্রীনগর ও লেহ-র মধ্যে এই তিনঘণ্টার যাত্রাপথ কমানোর জন্য সুড়ঙ্গ তৈরির প্রস্তাব হয়েছিল অনেকদিন আগেই। প্রায় ২০ বছর আগে সুড়ঙ্গ নির্মাণ নিয়ে প্রথম কথাবার্তা শুরু হয়। তবে তা আলোচনার বাইরে খুব বেশি দূর এগোয়নি। চার চারবার সরকারি তরফে সুড়ঙ্গ নির্মাণ সংক্রান্ত দরপত্রও ডাকা হয়েছে। তারপরেও সরকার প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে খরচ কমানোর পর ঠিকাদাররা আগ্রহ দেখায়। এই প্রকল্পের অধীনেই রয়েছে গাঙ্গিরের সাড়ে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ জি-মর সুড়ঙ্গ। এটি তৈরি হয়ে গেলে কাছাকাছি চলে আসবে কাশ্মীর ও লাদাখ।

[মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে একাধিকবার ধর্ষণ, অভিযুক্ত পুরকর্মীকে গণধোলাই]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement