৫ মাঘ  ১৪২৫  রবিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতি এবং মানুষের সংঘাত বহুচর্চিত৷ কিন্তু চিতাবাঘের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব খুব একটা শোনা যেত না৷ তবে গত কয়েকদিনে একের পর এক চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনায় নাম জড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের৷ তার জেরে বদলে গিয়েছে পরিচিত সমীকরণ৷ ক্রমশই প্রকট হচ্ছে চিতাবাঘ এবং সাধারণ মানুষের সংঘাত৷

[‘আইনসিদ্ধ হলেও বাহিনীতে সমকামিতা বরদাস্ত নয়’, হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানের]

গত ৬ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের কোয়লারি গ্রামের কাছে নাভেগাঁও নাগজিরা ব্যাঘ্র সংরক্ষণালয়ের কাছে একটি চিতাবাঘ পড়ে রয়েছে বলে খবর পায় বনদপ্তর৷ সেই অনুযায়ী তড়িঘড়ি ওই এলাকায় পৌঁছান বনকর্মীরা৷ মাত্র ছ’মাস বয়সি ওই চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করা হয়৷ কিন্তু প্রশ্ন হল কীভাবে জখম হয়েছিল ওই চিতাবাঘটি? বনকর্মীরা জানান, ‘‘জঙ্গল ছেড়ে চিতাবাঘটি লোকালয়ে চলে আসে৷ এটাই ছিল তার ‘অপরাধ’৷ স্থানীয় বাসিন্দারা দেখা মাত্রই চিতাবাঘটিকে ঘিরে ধরে৷ লেজ ধরে টানতে টানতে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে ঘোরানো হয় তাকে৷ অত্যাচারের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ে চিতাবাঘটি৷ জ্ঞান হারায় সে৷ গ্রামবাসীরা ভাবে চিতাবাঘটি মারা গিয়েছে৷ তাই এলাকার একটি জঙ্গলের কাছে ফেলে দেওয়া হয় ওই চিতাবাঘটিকে৷’’ শুধু অত্যাচারই নয়, অসুস্থ হয়ে পড়া ওই চিতাবাঘটির সঙ্গে সেলফিও তোলে অত্যাচারীরা৷ এই খবর পাওয়া মাত্রই বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷ চিতাবাঘটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেন তাঁরা৷ নাগজিরা ব্যাঘ্র সংরক্ষণালয়ে আনা হয় তাকে৷ বনকর্মীদের দাবি, উদ্ধারের সময় চিতাবাঘটির শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন ছিল৷ চিকিৎসা চলছিল তার৷ যদিও তাতে শেষরক্ষা হয়নি৷ মাস ছয়েকের ওই চিতাবাঘটির মৃত্যু হয়েছে৷ 

[নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে উত্তপ্ত অসম, মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি উলফা প্রধানের]

এদিকে, ওই গ্রামের বেশ কয়েকজন যুবক চিতাবাঘকে অত্যাচারের সময় তোলা সেলফি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে৷ ওই অমানবিক ঘটনার ছবি বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়৷ ওই ছবি দেখার পরই সমালোচনায় সরব হন পশুপ্রেমীরা৷ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ ধৃতেরা হল প্রকাশ পুরম, লোকেশ ঝাডে এবং আসিফ শেখ৷ তাদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করছে পুলিশ৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং