BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মাত্র ৫ দিনে PM CARES-এ তিন হাজার কোটি অনুদান, কারা দিলেন টাকা? প্রশ্ন চিদম্বরমের

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 2, 2020 1:23 pm|    Updated: September 2, 2020 1:31 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র পাঁচদিনে তিন হাজার কোটিরও বেশি অনুদান পেয়েছে PM CARES তহবিল। সম্প্রতি এক অডিট স্টেটমেন্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। তাতেই এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে কারা কারা অনুদান দিয়েছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম (P Chidambaram)। 

অডিট রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) এই কোভিড তহবিলে জমা পড়েছে ৩ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন সংস্থা, নাগরিকরাই দিয়েছেন ৩ হাজার ৭৫ কোটির কিছু বেশি অর্থ। আর ৪০ লক্ষ টাকা এসেছে বিদেশ থেকে। কিন্তু কোন সংস্থা বা কেন ব্যাক্তি কত টাকা অনুদান দিয়েছে. তা অডিট রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়নি। আর এ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা।

[আরও পড়ুন : ‘কপিল সিব্বল-গুলাম নবি আজাদদের বিজেপিতে যোগ দেওয়া উচিত’, আহ্বান কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]

টুইটারে পি চিদম্বরম লিখেছেন, “অডিট রিপোর্টে সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।  দেশ-বিদেশ থেকে কারা কত টাকা অনুদান দিয়েছে, তা এখানে প্রকাশ করা হয়নি”। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও লেখেন, “প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ট্রাস্ট অনুদান দেওয়া ব্যক্তিদের নাম ও অনুদানের পরিমাণ প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল কেন ব্যতিক্রম হবে? অনুদানকারীদের নাম প্রকাশ করতে কেন ভয় পাচ্ছেন ট্রাস্টের সংঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা?” প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই PM CARE’S তহবিলে চিনা অনুদান জমা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। অডিট রিপোর্টে অনুদানকারীদের নাম না থাকায়, সেই যোগ নিয়ে আরও একবার খোঁচা দিলেন তিনি।

[আরও পড়ুন : ‘আবার অন্য মামলায় ফাঁসাতে পারে’, জেল থেকে মুক্তি পেয়েই নতুন আশঙ্কা কাফিল খানের]

পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট হিসেবে ২৮ মার্চ পিএম কেয়ার তহবিল গড়ে তোলা হয়। যার প্রাথমিক লক্ষ্য হল, কোভিড-১৯ -এর মতো কোনও আপদকালীন বা সঙ্কটজক পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থাকা সত্ত্বেও এই ফান্ড গড়ে তোলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা। এমনকী, ফান্ডের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছিল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement