BREAKING NEWS

২০ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বুধবার ৩ জুন ২০২০ 

Advertisement

হায়দরাবাদের পর এবার রাজস্থান, মেয়েকে চেন দিয়ে বেঁধে লাগাতার ধর্ষণ বাবার

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: December 2, 2019 8:31 pm|    Updated: December 2, 2019 8:31 pm

An Images

ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হায়দরাবাদে যুবতী পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর খুনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। সোমবারই এই ঘটনার প্রতিবাদে সংসদে সরব হয় সব রাজনৈতিক দল। ধর্ষকদের গণপিটুনি দিয়ে ফাঁসিতে ঝোলানোর নিদানও দেন কেউ কেউ। আর ঠিক এই সময়েই রাজস্থানের দুটি ধর্ষণের ঘটনার খবর হতবাক করে দিল সবাইকে। একটি ঘটনা ঘটেছে জালোর জেলায় আর অন্যটি ঢঙ্কে।

[আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ‘নির্বলা’ বলে কটাক্ষ অধীরের, বিজেপির বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ]

জালোর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত বছর আগে ১৭ বছরের এক কিশোরীর মা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এর কয়েকদিন বাদে পরিবারের অন্য মহিলার সঙ্গে বাবাকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলে সে। আর তারপর থেকেই শুরু হয় অত্যাচার। বাড়িতে এনে হাত ও পায়ে চেন দিয়ে বেঁধে রেখে তাকে রোজ ধর্ষণ করতে শুরু করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। গত শুক্রবার সুযোগ পেয়ে নিজের মামার বাড়ি পালিয়ে যায় ওই কিশোরী। আর তার মুখে সব কথা শুনে পুলিশের দ্বারস্থ হয় মেয়েটির মামা। এদিকে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই পালিয়ে গিয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তি। তার সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

অন্যদিকে ঢঙ্ক জেলার খেতাদি গ্রামে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ছ’বছরের এক স্কুলছাত্রীকে। নাবালিকা ওই ছাত্রীটিকে ধর্ষণের পর তার স্কুলের পোশাকের বেল্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করে ধর্ষক। রবিবার টঙ্কের খেতাদি গ্রামের একটি নির্জন এলাকার ঝোপ থেকে উদ্ধার হয় ওই নাবালিকার মৃতদেহ। ঘটনাস্থল থেকে মদের বোতল ও স্ন‌্যাকসের প্যাকেট উদ্ধার হয়। এছাড়া রক্তের দাগও দেখতে পায় পুলিশ। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।

[আরও পড়ুন: “জিডিপি রামায়ণ-মহাভারত নয়, কোনও কাজে লাগবে না”, মন্তব্য বিজেপি সাংসদের]

রাজস্থান পুলিশের কথায়, শনিবার ওই নাবালিকার স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছিল। সেখানে তাকে খেলাধুলোও করতে দেখা যায়। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর থেকে তার আর খোঁজ মেলেনি। দুপুর তিনটের পরেও সে বাড়ি না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন সব জায়গায় খোঁজ করতে শুরু করেন। শেষপর্যন্ত রবিবার ভোরে স্কুল থেকে আধ কিলোমিটার দূরে একটি ঝোপের আড়াল থেকে উদ্ধার হয় তার রক্তাক্ত দেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফরেনসিক দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন।

এপ্রসঙ্গে টঙ্কের পুলিশ সুপার আদর্শ সিধু বলেন, ‘দ্রুত অপরাধীকে ধরা হবে। তদন্তের জন্য আমরা একাধিক টিম তৈরি করেছি।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement