BREAKING NEWS

১০ মাঘ  ১৪২৮  সোমবার ২৪ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

প্রতি ৪ ঘণ্টায় জালিয়াতিতে ধরা পড়েন ১ ব্যাংককর্মী, আরবিআই রিপোর্টে হইচই

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 18, 2018 12:57 pm|    Updated: February 18, 2018 12:57 pm

RBI reports says every 4 hours, 1 bank staffer held for fraud

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নীরব মোদির আর্থিক প্রতারণার পরই নজরে পিএনবির কর্তা থেকে কেরানিরা। ইতিমধ্যে জালে উঠেছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রাক্তন ডেপুটি ম্যানেজার। সাসেপন্ড বেশ কয়েকজন কর্তা। একটি রিপোর্ট বলছে এই ঘটনা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। প্রতি ৪ ঘণ্টায় দেশের একজন ব্যাংকর্মী প্রতারণার দায়ে ধরা পড়েন।

[আরও এক নীরব মোদি! ৮০০ কোটি ঋণখেলাপ করে উধাও Rotomac মালিক]

এই রিপোর্ট কোনও বেসরকারি সংস্থার নয়, খোদ রিজার্ভ ব্যাংকের। সেই তথ্যে চোখ রাখলে ভয়ংকর কিছু উঠে আসছে। পয়লা জানুয়ারি ২০১৫ থেকে মার্চ ৩১, ২০১৭। এই ২ বছর সময়সীমায় ৫,২০০ জন ব্যাংককর্মী প্রতারণার অভিযোগে ধরা পড়েছেন। এদের কারও চাকরি চলে গিয়েছে, কাউকে মোটা জরিমানা করা হয়েছে। এপ্রিল ২০১৭ থেকে এপর্যন্ত ব্যাংককর্মীদের একাংশ কীভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িয়েছেন তারও খোঁজ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরিসংখ্যানে স্পষ্ট শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যাংককর্মীদের মধ্যে সিংহভাগ এসবিআইয়ের। স্টেট ব্যাংকের ১,৫৩৮ জন আধিকারিক এবং কর্মী প্রতারণায় শাস্তি পেয়েছেন। এর পরেই রয়েছে ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংকের কর্মীরা। নীরব মোদির ঋণখেলাপির ঘটনায় পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক বেকায়দায় পড়েছে। এই ঘটনার জেরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শেয়ার পড়া শুধু নয়, ভাবমূর্তিও যথেষ্ট খারাপ হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে পিএনবির ১৮৪ জন কর্মী বেআইনি কাজে যুক্ত ছিলেন। এ্রদের অধিকাংশই মুম্বই বিভাগের। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এই কর্মী এবং আধিকারিকদের একটা অংশ নীরব মোদিকে সুযোগ পাইয়ে দিয়েছে। কর্মী এবং অফিসারদের জন্য ব্যাংকগুলি ঠিক কত অার্থিক ক্ষতি হয়েছে তা অবশ্য আরবিআই-এর রিপোর্টে জানা যায়নি। তবে গত চার বছরে মোট ঋণখেলাপির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ দায়ী ব্যাংকের কর্মীরা।

[কংগ্রেসকে ভোট দিলে মিলবে না জল, হুঁশিয়ারি বিজেপি নেত্রীর]

ঋণখেলাপিদের বিষয়ে রিজার্ভ ব্যাংক একাধিকবার ব্যাংকগুলিকে সতর্ক করেছে। রীতিমতো নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানিয়েছে ঠগবাজরা ঠিক কী করতে পারে। প্রতারক ঠেকানোর কৌশলও জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক। তারপরও এতবড় দুর্নীতি নিয়ে প্রাক্তন ব্যাংক কর্তা বিকাশ গঙ্গাধরণের বক্তব্য, দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা বড্ড বেশি পদমর্যাদা নির্ভর। তার ফলে কোনও ব্যাংকের ম্যানেজার যদি মনে করেন ঋণ পাওয়া উচিত, তাহলে দ্বিতীয়বার কোনও রিভিউ হয় না। এটা অত্যন্ত ঝুঁকির। যার ফলে পিএনবির মতো ঘটনা ক্রমাগত ঘটে চলেছে।

[নজরে পড়ার আগেই দেশ ছেড়ে চম্পট মোদির, বাজেয়াপ্ত ৫১০০ কোটির সম্পত্তি]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে