সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা শুনল না শীর্ষ আদালত। কুম্ভে যা ঘটেছে তা ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। একইসঙ্গে মামলাকারীর আইনজীবীকে পরামর্শ দিলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টে এই মামলার আবেদন করার জন্য।
সোমবার শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি পিবি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। সেখানে মহাকুম্ভের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু এই মামলায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এই ইস্যুতে আপনাদের এলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া উচিত।’ সুপ্রিম কোর্টে মামলাকারীর আবেদন ছিল, প্রয়াগরাজে সমস্ত রাজ্যের নিজস্ব সেন্টার স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হোক যাতে, নিজ রাজ্য থেকে আসা পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিক বার্তা দেওয়া যায়।
তাছাড়া, মহাকুম্ভে বিভিন্ন ভাষায় ঘোষণা করা হোক এবং যে সব বোর্ড লাগানো হয়েছে তা একাধিক ভাষায় লাগানো হোক। যাতে ভিন রাজ্য থেকে এখানে আসা মানুষরা সেই বার্তা পড়তে ও বুঝতে পারেন। পাশাপাশি সব রাজ্য যোগী সরকারের সহযোগিতায় নিজ নিজ রাজ্য থেকে একটি করে ছোট মেডিক্যাল টিম এখানে কুম্ভে পাঠাক। যেখানে চিকিৎসকের পাশাপাশি নার্সরাও যেন থাকেন। যাতে জরুরি অবস্থায় চিকিৎসাকর্মীর অভাব না ঘটে। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয় শীর্ষ আদালত যেন এই দুর্ঘটনার বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করে। যাঁদের গাফিলতিতে এই ঘটনা তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি মহাকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। সরকারি তথ্য অবশ্য বলছে মৃতের সংখ্যা ৩০ এবং আহত ১০০-র বেশি। কিন্তু সাধারণ মানুষের দাবি, সংখ্যাটা বাস্তবে দ্বিগুণ। মৃতের সংখ্যার আসল তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়াই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে সংখ্যা লুকোতে। এমনকী মুখে ৩০ জনের মৃত্যুর কথা বললেও মৃতের তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে