BREAKING NEWS

৮ মাঘ  ১৪২৮  শনিবার ২২ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

ঐচ্ছিক বিষয় থেকে কেন বাদ উর্দু? আদালতে ভর্ৎসনার মুখে যোগী সরকার

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: March 4, 2018 2:18 pm|    Updated: September 14, 2019 2:43 pm

Uttar Pradesh government qestioned why Urdu dropped as optional language paper

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাদ্রাসা এবং তার প্রশাসকদের সঙ্গে ঠোকাঠুকি চলছে যোগী আদিত্যনাথের। কখনও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন। মুসলিমদের ছাড়া অন্য ধর্মাবিলম্বীদের অনুষ্ঠানেও মাদ্রাসা বন্ধ করতে বলে বিতর্ক বাড়িয়েছেন। এই আবহে হঠাৎ যোগী সরকার শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় ঐচ্ছিক ভাষা থেকে উর্দুকে সরিয়ে দেয়। যা গড়িয়েছে আদালতে।

[গেরুয়া বাড়ন্ত, অগত্যা লাল আবির মেখে বিজয় উৎসব ত্রিপুরা বিজেপির]

এলাহাবাদ হাই কোর্ট এই ব্যাপারে যোগী সরকারের কাছে রীতিমতো কৈফিয়ত চেয়েছে। আদালত ভর্ৎসনার সুরে জানতে চেয়েছে কেন আচমকা শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় ঐচ্ছিক ভাষা হিসাবে উর্দু পেপার তুলে নেওয়া হল? আগামী ১২ মার্চ শিক্ষক পদে পরীক্ষা। শূন্যপদ প্রায় ৬৬ হাজার। কয়েক লক্ষ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। আগামী ৭ মার্চের মধ্যে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে যোগী সরকারকে। ঐচ্ছিক ভাষা হিসাবে উর্দু সরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে মহম্মদ মুন্তাসিম নামে এক পরীক্ষার্থী আদালতের দ্বারস্থ হন। তার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দিয়েছে এলাহাবাদ হাই কোর্ট। মুন্তাসিম ২০১৪ সালে উত্তরপ্রদেশ শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বেসিক টিচার্স ট্রেনিং কোর্স করেন। তাঁর ঐচ্ছিক বিষয় ছিল উর্দু ও সংস্কৃত। উত্তরপ্রদেশে শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি হল কোনও আবেদনকারীকে টিচার্স এবিলিটি টেস্ট বা টেট উত্তীর্ণ হতে হবে। ওই পরীক্ষার্থী যখন টেট পাশ করেন তখন টেটেও ঐচ্ছিক বিষয় ছিল উর্দু। কিন্তু চূড়ান্ত পরীক্ষা থেকে উর্দু সরিয়ে নেওয়ায় ওই যুবকের মতো অনেকে বিপাকে পড়েছেন। নতুন নিয়মে ভাষার জন্য ৪০ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু সংস্কৃত, হিন্দি এবং ইংরেজি শুধু থাকছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন আবেদনকারীরা।

[নজরকাড়া সাফল্য, চা বিক্রি করেই মাসে উপার্জন ১২ লক্ষ টাকা]

আইনজীবী মহলের মতে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত সংবিধানের পরিপন্থী। এর ফলে হয় পরীক্ষা বাতিল করে দিতে হবে। নাহলে উর্দুকে ফের ঐচ্ছিক ভাষা হিসাবে জায়গা দিতে হবে। আবেদনকারীদের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে চলে আসার পর কোনওভাবে পরীক্ষা বাতিল হয়ে গেলে জটিলতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পরীক্ষার্থীরা।

[ইটালিতে ভোট আছে নাকি? রাহুলের মামারবাড়ি যাত্রায় হুল অমিত শাহের]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে