২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মমতার ‘ধরনার রাজনীতি’ এবার দখল করার পথে বিজেপি। দিন কয়েক আগেই দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করার তাগিদে শহরের মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই স্থানেই ধরনায় বসার অনুমতি চাইল বিজেপি।

জানা যাচ্ছে, আগামী ২১, ২২, ২৩ ফেব্রুয়ারি ধরনায় বসতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের কাছে ই-মেলের মাধ্যমে আবেদন জানিয়েছে তারা। কিন্তু কোন ইস্যুতে ধরনায় বসতে চাইছে গেরুয়া শিবির? বিজেপির তরফে বলা হচ্ছে, এ রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার আগে মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসার অনুমতি পেত সমস্ত রাজনৈতিক দলই। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার নিয়ম পালটে জানিয়ে দেয়, শহরের প্রাণকেন্দ্র মেট্রো চ্যানেলে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি করা যাবে না। ফলে এতদিন সেখানে এধরনের কোনও কর্মসূচি হয়নি। কিন্তু চলতি মাসে নিজেই সেখানে ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই, বাকি রাজনৈতিক দলগুলিকেও মেট্রো চ্যানেলে বসার অনুমতি দিতে হবে বলে দাবি বিজেপির। শোনা যাচ্ছে, সোমবারই কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশকে চিঠি দিয়ে এই মর্মে আরজি জানাবে রাজ্য বিজেপি।

[ভিন রাজ্যে বাঙালি যুবকের রহস্যমৃত্যু, মৃতদেহ নিয়ে অবরোধ যশোর রোডে]

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতা পুলিশের কমিশনার রাজীব কুমারের বাংলোয় সিবিআই আধিকারিকদের হানার ঘটনায় কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয়  গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে মোদি সরকার প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি করছে, অভিযোগে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ঘটনার প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে তিনদিন ধরে চলে ধরনা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ধরনা তুলে নেন তিনি। তবে সেখানেই সবটা শেষ হয়ে যায়নি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সংঘাত জারি রেখে আগামী ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লির রাজপথে ধরনায় বসবেন মুখ্যমন্ত্রী-সহ দেশের একাধিক রাজ্যের বিরোধী দলের নেতারা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং