BREAKING NEWS

১৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২০ 

Advertisement

‘কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে পুড়ে ছাই মারুতির সার্ভিস সেন্টার’, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষুব্ধ মিমি

Published by: Sayani Sen |    Posted: February 20, 2020 4:44 pm|    Updated: February 20, 2020 6:05 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মারুতির সার্ভিস সেন্টারে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের জেরে চাঞ্চল্য ছড়াল আনন্দপুরে। পুড়ে ছাই ওই সার্ভিস সেন্টারে থাকা প্রায় চল্লিশটিরও বেশি গাড়ি। খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দশটি ইঞ্জিন। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং সাংসদ মিমির উপস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নেভানোর কাজ। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় গাফিলতির অভিযোগে সরব যাদবপুরে তৃণমূলের তারকা সাংসদ।

Mimi-Chakrabortty

বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই আনন্দপুরের মারুতি সার্ভিস সেন্টারে ধোঁয়া দেখতে পাওয়া যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করে নেয় গোটা সার্ভিস সেন্টারকে। ডিজেলের মতো দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন ছড়াতে বেশি সময় লাগেনি। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেই সময় সার্ভিস সেন্টারে থাকা প্রায় প্রত্যেকেই। খবর দেওয়া হয় দমকলে। একে একে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে কালো ধোঁয়ায় এখনও ঢেকে রয়েছে মারুতি সার্ভিস সেন্টার। ওই সার্ভিস সেন্টারের ম্যানেজারের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৪০টি গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কোনও গাড়ির কাচ ফেটে গিয়েছে। আবার কোনও গাড়ির দরজা-জানলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

Mimi-Chakrabortty

[আরও পড়ুন: ‘কেউ হোয়াটসঅ্যাপে ফাঁস করে দিলে কী করব?’, প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বেফাঁস মন্তব্য পার্থর]

অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। শুটিং ছেড়ে আনন্দপুরের অগ্নিদগ্ধ ওই মারুতির সার্ভিস সেন্টারে যান যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)।

Mimi-Chakrabortty

সুজিত বসু বলেন, “আগুন কীভাবে লেগেছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রচুর পরিমাণ জল এবং ফোম ব্যবহার করা হচ্ছে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথোপযুক্ত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।” যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী মারুতির সার্ভিস সেন্টার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে সরব। তিনি বলেন, “কোনও প্রাণহানি হয়নি। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল না। প্রশাসন যেমন ব্যবস্থা নেবে, তেমনই কর্তৃপক্ষেরও উচিত বিভিন্ন সাবধানতা অবলম্বন করা।”

Mimi-Chakrabortty

এই সার্ভিস সেন্টারের পাশেই রয়েছে ঘিঞ্জি বসতি। সেক্ষেত্রে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আরও বড়সড় বিপদও হতে পারত। কিন্তু দমকল কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই দাবি তৃণমূলের তারকা সাংসদের।

দেখুন ভিডিও:

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement