১ আশ্বিন  ১৪২৫  মঙ্গলবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  |  পুজোর বাকি আর ২৮ দিন

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দীপঙ্কর মণ্ডল: অধ্যাপকদের বদলির নির্দেশ ঘিরে ফের বিতর্কে কারিগরি শিক্ষা দপ্তর। একদিকে দ্রুত বদলি কার্যকর করার নির্দেশ, অন্যদিকে বাছাই কয়েকজনকে রেখে দেওয়ার জন্য মৌখিক চাপ। এমন অবস্থায় কলেজের অধ্যক্ষরা ফাঁপরে। শ্যাম রাখবেন না কি কুল, তা বাছতে দিশাহারা দশা তাঁদের।

[লক্ষ্মীপুজোর পরই দক্ষিণেশ্বরে চালু স্কাইওয়াক, ঘোষণা ফিরহাদের]

রাজ্যজুড়ে সম্প্রতি পলিটেকনিকের অধ্যাপকদের গণবদলি করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম মেনে সবাই বাড়ি থেকে দূরে যেতে প্রস্তুত। কিন্তু বদলি হওয়া অধ্যাপকদের একটি অংশকে ‘রিলিজ’ দেওয়া হচ্ছে না। কলেজের অধ্যক্ষ এবং অফিসার-ইন-চার্জরা বদলি হওয়া অধ্যাপকদের রিলিজ দেন। তাঁরা জানিয়েছেন, উপর মহল থেকে ফোন করে রিলিজ না করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এই উলটো চাপে দিশাহারা কলেজ কর্তৃপক্ষ। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাড়ির কাছাকাছি বদলি করে আনার চেষ্টা করা হবে। শিক্ষায় আরও উৎকর্ষ বাড়াতে এমন ঘোষণা করেছেন পার্থবাবু। উলটোপথে হাঁটছে কারিগরি শিক্ষা দপ্তর। বাড়ি থেকে দূরে পাঠানো হচ্ছে শিক্ষকদের। এই নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে। তার মাঝে ‘উপর মহল’ থেকে ফোন করে বদলি আটকানোর চেষ্টায় ক্ষোভে ফুঁসছেন পলিটেকনিকের অধ্যাপকরা।

[শহরে ফের ডেঙ্গুর বলি, ফুলবাগানের নার্সিংহোমে মৃত্যু বধূর]

প্রশ্ন উঠেছে ‘উপর মহল’টা কে। কাঁথি পলিটেকনিকের অফিসার ইনচার্জ প্রবীর মাইতি জানিয়েছেন, তিনি ‘উপর মহল’-এর ফোন পেয়েছেন। এমন নির্দেশ গিয়েছে আরও কয়েকজন অধ্যক্ষর কাছে। কিন্তু কেউ মুখ খুলতে নারাজ। দপ্তরের ডিরেক্টর ইনচার্জ শৈবাল মুখোপাধ্যায় একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। অধ্যক্ষ ও অফিসার ইনচার্জদের বলা হয়েছে, দ্রুত বদলির নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। এক অধ্যক্ষ এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “আমাদের এখন শ্যাম রাখি, না কুল রাখি অবস্থা। একদিকে লিখিত নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রভাবশালী অফিসার ফোন করে নির্দিষ্ট কয়েকজনকে রিলিজ না করার কথা বলছেন।” শৈবালবাবু এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। সূত্রের খবর, বাড়ি থেকে দূরে বদলি আটকাতে কেউ কেউ নানা টোপ দিচ্ছেন। সেই টোপে কাজও হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপকরা। তাঁদের বক্তব্য, “দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গে বদলি করা হচ্ছে। উত্তরের জেলাগুলি থেকেও কলকাতার কাছাকাছি অধ্যাপকদের আনা হচ্ছে। কোনও কারণ ছাড়াই এমন চলছে। বাড়ির কাছে থাকতে আমরা টোপ দিচ্ছি। তা গিলেও ফেলছে কেউ কেউ।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং