৩২ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ১৮ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেশা না কল্পনা? অদম্য যৌন আসক্তি আসলে ঠিক কী? বারবার শারীরিক মিলনে লিপ্ত হওয়ার গভীর বাসনাকে কি আদৌও নেশার তালিকায় ফেলা যায়? নাকি, সঙ্গমের সুতীব্র আসক্তি আসলে স্রেফ একটি কল্পনাপ্রসূত ব্যাপার! কিংবা মানসিক অসুস্থতা! আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে ‘সেক্স অ্যাডিক্ট’দের আপনি কী বলবেন? নেশাখোর? কল্পনাপ্রবণ? নাকি অসুস্থ? আপাতত এই উত্তর খুঁজতেই উঠেপড়ে লেগেছেন বিশেষজ্ঞরা৷

[কীভাবে সাজাবেন বেডরুম? মাথায় রাখুন এই পাঁচটি বিষয়]

চিকিৎসকদের দাবি,  নেশা। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই বিশ্লেষণ হাস্যকর। প্রামাণ্য হিসাবে বলা হচ্ছে, ২০১৩ সালে মানসিক অসুস্থতা সংক্রান্ত একটি ডায়াগনস্টিক এবং স্ট্যাটিসটিক্যাল ম্যানুয়ালে অস্বাভাবিক যৌন আসক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা উঠেছিল। কিন্তু প্রমাণের অভাবে তা বাতিল করা হয়। যদিও বর্তমানে ফের ‘কমপালসিভ’ তথা অপ্রতিরোধ্য যৌন আচরণকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক শ্রেণিভুক্ত রোগের তালিকায় শামিল করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছে যে, নীলছবি দেখার সময় কোনও ব্যক্তির মস্তিষ্কে যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হয়, কোনও মাদকাসক্তের সামনে মাদক এনে রাখলেও অনেকাংশে তাই হয়। অতএব, যৌন মিলনের তাড়না হয় নেশা নয় মানসিক অসুস্থতা, যার নিরাময়ের জন্য প্রয়োজন চিকিৎসা।

[প্রথমবার ডেটে যাচ্ছেন, কোন রঙের পোশাক পরবেন জানেন?]

কিন্তু এর বিপরীত মতও রয়েছে। নিকোটিন, মদ বা মাদকের নেশায় শরীরের ক্ষতি হয়। কিন্তু যৌন আসক্তির ফলে তেমন কিছুর নজির আপাতভাবে নেই। তাহলে একে নেশার তালিকায় গণ্য কীভাবে করা যেতে পারে?  দ্বিতীয়ত, ‘মিথ অফ সেক্স অ্যাডিকশন’ বইয়ের লেখক ডেভিড লির দাবি, যৌন মিলনের অদম্য আকাঙ্ক্ষা কিংবা স্বমেহনের প্রবণতাকে অ্যালকোহল বা অন্য কোনও মাদকের সঙ্গে তুলনা করা নিতান্তই হাস্যকর। কারণ, মাদকাসক্ত কোনও লোক মাদক ছেড়ে দেওয়ার পরবর্তী শারীরিক প্রতিক্রিয়াতেও মারা যেতে পারেন। তাঁর মতে, সুস্থ, স্বাভাবিক যৌনজীবন বলতে মানুষ কী বোঝে, তার উপর নির্ভর করে অত্যধিক যৌন আসক্তি নেশা কি না, তার বিচার করা। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও তথ্য বা পরিসংখ্যান মেলেনি, যেখানে কারও অদম্য মিলনাকাঙ্ক্ষাকে অসুস্থতা বলে গণ্য করে তাঁর চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে ব্রিটেনে একটি সমীক্ষাও চালানো হয়েছিল। যাতে দেখা গিয়েছে, সেখানকার মাত্র দশ শতাংশ পুরুষ ‘সেক্স অ্যাডিক্ট’ কি না, তা জানতে ক্লিনিকে দৌড় লাগিয়েছেন৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং