২৪ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ১১ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: উৎসবের মরসুম মানেই বাঙালি পেটপুরে খাওয়াদাওয়া ছাড়া কিছুই বোঝে না। আর এই সময় পাতে রূপোলি শস্য থাকবে না তা কি হতে পারে? সেই সুযোগই করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারণ, এবার প্রথম পুজোর সময় কলকাতায় ৫০০টন ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। শনিবার বাংলাদেশ থেকে বাংলায় পাড়ি দিল বিপুল পরিমাণ মাছ।

[আরও পড়ুন: আঞ্চলিক সংকটে পরিণত হয়েছে রোহিঙ্গা সমস্যা, রাষ্ট্রসংঘে বললেন হাসিনা]

গত ২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কলকাতায় ৫০০টন ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্তে ছাড়পত্র দেয়। এই ইলিশের প্রথম চালান আসে শনিবার অর্থাৎ মহালয়ায়। কয়েক ধাপে আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে শহরে পৌঁছাবে বিপুল পরিমাণ ইলিশ। বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত পথে ইলিশ আসবে কলকাতায়। এরপর এই ইলিশ চলে যাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাজারে। এ বছর বাংলায় বর্ষার শুরু থেকে ইলিশের আমদানি নেই বললেই চলে। তার ফলে আকাশছোঁয়া দাম রূপোলি শস্যের। যে মাছ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়ার কথা। তারই দাম নিচ্ছে কমপক্ষে ৫০০টাকা। যার ফলে ইলিশ কিনতে গেলেই হাতে ছ্যাঁকা মধ্যবিত্তের।

[আরও পড়ুন: নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ‘ডাকসু’র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি]

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব ডঃ মহম্মদ জাফরউদ্দিন বলেন, “দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা হিসেবে ভারতে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানো হচ্ছে। তবে এটি রপ্তানির কোনও বিষয় নয়। দুর্গাপুজো উপলক্ষে শুধু একবারই পাঠানো হবে। পশ্চিমবঙ্গে ৫০০টন ইলিশ রপ্তানির বিশেষ অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারতের কলকাতায় ইলিশ নিয়ে যাবেন। পরে সেখানকার বাজারে তা বিক্রি করবেন। মূলত কলকাতার বাজারেই এই ইলিশ বিক্রি হবে। ২০১২ সালের পর থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ। এরপর থেকে বৈধভাবে বাংলাদেশের ইলিশ আর কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গে যায় না।” কলকাতায় ইলিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, “২০১২ সালের ৩০ জুলাই বাংলাদেশ সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এবার দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশ সরকার পশ্চিমবঙ্গে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে আমরা খুব খুশি। তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং