১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৫  রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮ 

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও দীপাবলি ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৫  রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮ 

BREAKING NEWS

ইলিশ। নাম শোনামাত্র জিভে জল চলে আসে বাঙালির। আর ইলিশ মানেই হরেক রকম পদ। বাড়িতে তো সব পদ রান্না করা সম্ভব হয় না। তাহলে কি ইলিশের বিভিন্ন স্বাদ পেতে রেস্তরাঁয় যায় বাঙালি? কী বলছেন সেলেবরা?

সোনালি চৌধুরি

ইলিশ প্রত্যেক বাঙালির কাছে শিল্পের মতো। ছোট থেকে মায়ের হাতে ইলিশ ভাপা, ভাজা, ইলিশের অম্বল, ইলিশের ডিম, ইলিশের কাঁচা ঝাল সমস্ত পদ খেয়ে আসছি। আমারও ইলিশ রান্না মায়ের কাছ থেকেই শেখা। বাড়িতে যেভাবে ইলিশের নানা পদ রান্না হয়, সেই স্বাদ কিন্তু রেস্তরাঁয় থাকে না, তা সে পাঁচতারা হোটেলই হোক না কেন। বাড়িতে তৈরি মোচার পদ, থোড়ের স্বাদই আলাদা। আমাদের প্রজন্ম ভীষণ ভাগ্যবান, কারণ তারা এখনও বাড়িতে খাঁটি বাঙালি রান্না খেতে পারছে। আমাদের পরের প্রজন্মের অনেকেই হয়তো বাড়িতে এ সমস্ত খাবারের আসল স্বাদ বুঝবে না। তবে এখনও বেশির ভাগ বাঙালি-বাড়িতে বর্ষায় ইলিশ রান্না হয়, এ প্রজন্ম পুরোপুরি রেস্তরাঁমুখী নয়।

মাছ খেতে ভালবাসেন, এই পদটি আপনাকে রান্না করতেই হবে ]

বিশ্বনাথ বসু

বাঙালি মাত্রই ইলিশভক্ত। সাতসকালে বাজারে গিয়ে টাটকা ইলিশ দ্যাখামাত্রই চোখে ভেসে ওঠে কখন বাড়ি গিয়ে দু’টুকরো ভেজে, ইলিশের তেল দিয়ে গরম ভাত মেখে খাব। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। ইলিশ খেতে বরাবর ভীষণ ভালবাসি। ভাজা, ভাপা, পাতুরি- সব পদই সমান পছন্দ। বেগুন দিয়ে ইলিশের ঝোল তো অমৃতসম! নানান রেস্তোরাঁয় এখন ইলিশ উৎসব হয় বটে, বাঙালি এক্সপেরিমেন্টাল পদ খেতে সে সমস্ত রেস্তোরাঁয় যায়, ভাপা বা ইলিশ ভাজা খেতে নয়। আমি নিজে বিভিন্ন কুইজিনের রান্না খেতে ভালবাসি। সেই সূত্রে একেবারে আনকোরা ফিউশন কোনও ইলিশের পদ খেতে, বা চিরাচরিত বাঙালি নয়, এমন পদ চাখতে আমিও গিয়েছি রেস্তরাঁয়। তবে খাঁটি বাঙালি পদের জন্য বাড়িতে ইলিশ এনে জমিয়ে খাওয়ার কোনও বিকল্প নেই।

সুশান্ত সেনগুপ্ত (শেফ)

ইলিশমাছ খেতে মানুষ অবশ্যই এখন রেস্তরাঁয় যায়। তার প্রথম কারণ, এখন সব জিনিসের ও সমস্ত উৎসবের জন্যই ইটিং আউটের একটা ট্রেন্ড চলছে। মানুষ ছোট ছোট আনন্দের মুহূর্ত উপভোগ করার জন্য রেস্তরাঁয় খেতে যায়। সুতরাং ইলিশের মরশুমও এর ব্যতিক্রম নয়। দ্বিতীয়ত, বেশির ভাগ মানুষ এখন এতটাই ব্যস্ত, বাড়িতে ইলিশের নানা পদ রেঁধে খাওয়ার অবকাশ হয় না। এছাড়া কাজের সূত্রে যে সমস্ত বাঙালি বাইরে থাকে, তারা বছরের যে কোনও সময় এসেই ইলিশ পেয়ে যায় রেস্তরাঁয়। আরও একটি বিষয় হল, কলকাতায় এখন প্রচুর অবাঙালি মানুষের বাস। যারা ইলিশমাছের প্রচুর গল্প শুনেছে, তবে বাড়িতে বানাতে সাহস করে উঠতে পারেনি, তারাও এখন রেস্তরাঁমুখী। সবশেষে বোনলেস হিলসার ক্রেজও রয়েছে। এমন অনেক বাঙালি-অবাঙালি এমনকী বিদেশি পর্যটক রয়েছে, যারা কাঁটাযুক্ত মাছ কোনওদিন খায়নি, তাদের কাছেও রেস্তোরাঁই ইলিশ খাওয়ার একমাত্র ঠিকানা।

কলাপাতায় খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী কেন? ]

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং