২ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কালী পুজো বা শ্যামা পুজা বা দীপাবলি যায় বলা হোক না কেন, আসলে এটা আলোর উৎসব। আর এই আলোর উৎসবে বাজি পোড়ানোটা এদেশের চিরাচারিত রীতি। ভেদাভেদ ভুলে সবাই নিজের মতো করে কমবেশি আতস বাজি পোড়াতে পছন্দ করেন দীপাবলিতে। কিন্তু, এর মাঝে অন্তরায় হয়ে উঠতে পারে ভয়। আগুন থেকে ভীতি অনেকের মধ্যেই কাজ করে। যার জেরে বিপদে পড়েন অনেকেই। পুড়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে অনেক উপায়ই অবলম্বন করা যায়, আবার যদি কোনওক্রমে পুড়েও যায়, তাতেও ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই, সহজ উপায়েই করা যাবে চিকিৎসা।

[শুকনো কাশি থেকে রেহাই দেবে এই ঘরোয়া টোটকা]

পুড়ে গেলে কী করবেন?
প্রথমেই ঠাণ্ডা জল দিন। কোনও জায়গায় পুড়ে গেলে বা ফোসকা পড়ার উপক্রম হলে ঠাণ্ডা জলের কোনও বিকল্প নেই। বরফ হলে আরও ভাল। তবে, এক জায়গায় বরফটি ধরে থাকবেন না, ক্ষতস্থান এবং তাঁর আশেপাশে ঘোরাতে থাকুন। এক জায়গায় বরফ ধরে থাকলে শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হয়।

হাতের কাছে মজুত রাখুন ডায়োজিন বা ন্যানো সালফার জাতীয় মলম। অল্প পুড়লে ঠান্ডা জল দিয়ে ক্ষতস্থানটি কিছুক্ষণ ধুয়ে নিন। তারপরই লাগিয়ে দিন এই মলম। তার উপর ভেসলিনও লাগাতে পারেন। পোড়া জায়গা ভালভাবে না শুকনো অবধি অন্য কোনও ক্রিম বা সাবান ব্যবহার করবেন না।

[গোপনাঙ্গে ফোড়া! সারবে কীভাবে?]

পোড়া জায়গায় ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক, ব্যথা হলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খান।পোড়ার গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে এর পরিচর্যা। বেশি পুড়লে অযথা ভয় না পেয়ে দ্রুত যোগাযোগ করুন স্থানীয় চিকিৎসকের সঙ্গে।

অনেক সময় চোখে আগুনের ফুলকি ঢোকে। সে ক্ষেত্রে কোনও অবস্থাতেই চোখ ঘষবেন না, বরং ঠান্ডা জলে চোখ ধুয়ে নিন।

বাজি থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইডে অনেক সময় শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই তেমন হলে সঙ্গে সঙ্গে খোলা কোনও জায়গায় যান, যেখানে মুক্ত হাওয়া পাবেন। বাড়াবাড়ি হলে অবশ্যই অক্সিজেন নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং