২ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

মণিদীপা কর: জলেই জীবন। জীবন মানে তো শুধু বেঁচে থাকা নয়, জীবনকে উপভোগ করাও। বিজ্ঞান বলছে, আর পাঁচটা জৈবিক ক্রিয়ার মতো যৌনতাকেও সতেজ রাখে জল।

জলের অভাবে গলা শুকায়, তেমনই শরীরের প্রতিটা কোষও শুকিয়ে যায়। সেই সঙ্গে শুকিয়ে যায় স্বাভাবিক জৈবিক প্রবণতা। গবেষকদের মতে, সেই জৈবিক প্রবণতার তালিকায় রয়েছ যৌন মিলনও। তাই জল পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এতে সময় মতো দেহের প্রতিটা কলা-কোষ জলে সিক্ত হয়ে যায়। যা যৌন মিলনে সহায়ক। চিকিৎসকদের মতে, জল কম খাওয়া হলে শরীরে অন্য অঙ্গের মতো মহিলাদের যোনি মুখও শুকিয়ে যায়। ফলে যৌন মিলন উপভোগ্য তো হয়ই না, উলটে কখনও কখনও যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে।

[ আরও পড়ুন: পর্নহাবের দুনিয়ায় হটকেকের মতো বিকোচ্ছে দেশি ব্লু ফিল্ম ]

পর্যাপ্ত জল পানের ফলে শরীরে রক্তের স্বাভাবিক পরিমাণ বজায় থাকে। ফলে প্রতিটা অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত সংবহন ভালো হয়। আর রক্তের সঙ্গে কোষে কোষে অক্সিজেন, পুষ্টি উপাদান সরবরাহও ভাল হয়। যা দেহের প্রতিটা কলা-কোষকে সতেজ করে, উদ্দীপিত করে মস্তিষ্কের যৌন কেন্দ্রকে। ফলে যৌন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। যা যৌনাঙ্গের সক্রিয়তা বাড়ায়। এই যৌথ প্রভাবে ভালবাসার মানুষের প্রতিটা স্পর্শেই সাড়া দেয় শরীর। মিলন আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলে সিক্ত শরীরে মিলনের উত্তেজনা যেমন চরম সীমায় পৌঁছয় তেমনই তার রেশ থাকে দীর্ঘক্ষণ। গ্রীষ্মের ব্যস্ত দিনের শেষে যখন আর ন্যূনতম এনার্জিও অবশিষ্ট থাকে না তখন যৌন মিলন তো দূরের কথা শয্যাসঙ্গীর সামান্য স্পর্শও উপভোগ্য হয় না। এই অবসন্নতার জন্য জল কম খাওয়াকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, পর্যাপ্ত জলের অভাবে দেহকোষ শুকিয়ে যায়। ফলে কাছের মানুষকে পাশে পেয়েও মিলন সুখের হয় না। উলটোদিকে পর্যাপ্ত জল পানে শরীর শীতল হয়, আরও উষ্ণ হয় মিলনের মুহূর্ত।

জল তো শুধু দেহকোষকে সিক্ত রাখে না, সঙ্গে দেহের প্রতি প্রান্ত থেকে বিপাকজাত বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে দেহে বিষক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। শরীর ও মন দুই-ই চনমনে হয়ে ওঠে। যে কোনও মুহূর্তই হয়ে উঠতে পারে আরও ঘনিষ্ঠ। শুধু তাই নয়, পর্যাপ্ত জল দেহে যৌন হরমোনের ক্ষরণেও সাহায্য করে। যার প্রভাবে কামোন্মাদনা বাড়ে। মিলন মধুর হয়।

[ আরও পড়ুন: সম্পর্কে মিষ্টতা আনতে চান? সঙ্গীর সঙ্গে চুটিয়ে ঝগড়া করুন ]

বর্তমান গবেষণা বলছে, যৌন মিলন অন্যতম সেরা ব্যায়াম। ২৫-৩০ মিনিটের শারীরিক সম্পর্ক তিন মাইল দৌড়ানোর থেকেও বেশি কার্যকর বলে দাবি চিকিৎসকদের। তাই স্বাভাবিকভাবেই যৌন মিলনের পর ক্লান্তি দেখা দেয়। শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে। এই মুহূর্তেও অবসন্নতা কাটাতে জল সাহায্য করে। সব মিলিয়ে বলা যেতেই পারে, জল যৌন উষ্ণতায় ‘জল’ ঢালে না, বরং মিলনে ঘৃতাহুতি দেয়। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, যৌন মিলন উপভোগ্য করে তুলতে পর্যাপ্ত জল খান। দেহে জলের পরিমাণ ঠিক আছে কিনা বুঝতে মূত্রের রং পরীক্ষা করুন। মূত্র গাঢ় রঙের হলে জল পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। তবেই উপভোগ্য হয়ে উঠবে যৌনজীবন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং