৩১ আষাঢ়  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীপাবলির আর বেশি দেরি নেই৷ উৎসবের মরশুম এলেই ছাড়ের খোঁজে গ্রাহকদের মনটা আনচান করতে থাকে৷ আর সেই সুযোগই কাজে লাগায় বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটগুলি৷ গ্রাহকদের এই আকাঙ্খাকে সামাল দিতে চলতি মাসে দ্বিতীয়বারের জন্য লোভনীয় অফার নিয়ে হাজির হয় ই-কমার্স সংস্থা ফেসবুক ও আমাজন৷ অভিযোগ, বিপুল ছাড় ও অফারের ফাঁদে ফেলে এবং গ্রাহকদের বোকা বানিয়ে, সেই সুযোগে দেদার ভেজাল পণ্য আমদানি করেছে আমাজন, ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলি৷ মহিলাদের কসমেটিকসের ক্ষেত্রে বিশেষ করে এই ভেজাল পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে৷

[নোটিফিকেশনে আসক্তি? এই বিষয়গুলি আপনার সঙ্গে ঘটছে না তো?]

বাজার চলতি কসমেটিকসেপ উপর ভরসা না রেখে, বিদেশী বিভিন্ন কসমেটিকস পণ্য ই-কর্মাস সংস্থাগুলির মাধ্যমে কেনেন অনেকে। সেখানেই ধরা পড়ল বড় ভেজাল চক্র৷ ই-কমার্স সাইট আমাজন ও ফ্লিপকার্টের বিরুদ্ধে নকল ও জাল কসমেটিকস পণ্য ডেলিভারির অভিযোগ আনল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। ইতিমধ্যে সংস্থা দুটির বিরুদ্ধে নোটিসও জারি করা হয়েছে৷ বলা হয়েছে, দশদিনের মধ্যে সপক্ষে যুক্তি পেশ করতে হবে৷ নাহলে পড়তে হবে ফৌজদারি মামলার মুখে৷ জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৫ অক্টোবর ও ৬ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালান সংস্থার আধিকারিকরা৷ মেলে নকল পণ্যের হদিশ৷

[Jio ও ভোডাফোনকে জোর টক্কর, দুর্দান্ত অফার ঘোষণা এয়ারটেলের]

এখানেই শেষ নয়, যে ডিলারের কাছ থেকে এই ই-কমার্স সংস্থাগুলি কসমেটিকস কিনছে, তাঁদের অনেকেরই লাইসেন্স মেলেনি বলে সূত্রের খবর৷ সত্য প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আমাজন ইন্ডিয়ার মুখপাত্র৷ তিনি জানান, দেশের বাজারে কোন পণ্য বিক্রি হবে বা হবে না, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব রয়েছে অন্য সংস্থার উপরে৷ ফলে সেই সংস্থা ভেজাল পণ্য বিক্রি করলে অবশ্যই তাঁদের যোগ্য শাস্তি হওয়া প্রয়োজন৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং