৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়সের ভারে নুব্জ হয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছে উত্তর কাশীর ঐতিহ্যবাহী সেতু লছমন ঝুলা৷ আপাতত পর্যটকদের কাছে তার ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই৷ এমন পরিণতিতে শুধু কি পর্যটকদের মনখারাপ? মোটেই তা নয়৷ লছমন ঝুলার সঙ্গে সঙ্গে বেহাল দশা হয়েছে সেতুর দু’পাশের দুটি বাজারেরও৷ বিকিকিনি মোটেই হচ্ছে না৷ অনেকেরই দোকান তুলে দেওয়ার দশা৷

[আরও পড়ুন: বড় জয় মোদি সরকারের, বিরোধিতা উড়িয়ে রাজ্যসভায় পাশ তিন তালাক বিল]

একদিকে তপোবন বাজার, আরেকদিকে লছমন ঝুলা বাজার৷ দুয়ের মাঝে সেতুবন্ধন এই লছমন ঝুলা৷ দিন কয়েক আগে পর্যস্তও দিনভর ঝুলন্ত সেতু দিয়ে এপার-ওপার করে বেড়াতেন অগণিত পর্যটক, স্থানীয় বাসিন্দারা৷ সরগরম থাকত ব্রিজ এবং ব্রিজের দুপাশের দুটি বাজার৷ কিন্তু উত্তরাখণ্ডের প্রায় শতাব্দী প্রাচীন এই সেতুর স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে ইঞ্জিনিয়াররা জানান, কোমায় চলে গিয়েছে লছমন ঝুলা, বাঁচার সম্ভাবনা ক্ষীণ৷ তাই বিপদ এড়াতে এরই মধ্যে সেতুটি বন্ধ করে দেওয়া উচিত৷ গাড়িঘোড়া তো নয়ই, পায়ে হেঁটে সেতু পেরনোও বিপজ্জনক৷ পিডব্লুডি এবং আইআইটি-র ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শ তড়িঘড়ি সেতুতে পরিবহণ বন্ধ করে দেয় উত্তরাখণ্ডের ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত সরকার৷

এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের পর্যটনে একটা বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে৷ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, খুব কম সময়ের মধ্যে তাঁদের ব্যবসা একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে৷ কেউ কেউ ঋণ নিয়ে ব্যবসা সবে সাজিয়ে বসেছিলেন রাজ্যের এমন এক পর্যটন ক্ষেত্রে, একটু বাড়তি লাভের আশায়৷ এখন এই পরিস্থিতিতে কীভাবে ঋণ শোধ করবেন, আর ঘরেই বা উপার্জনের কতটুকু টাকা রাখতে পারবেন, তা নিয়েই ভাবনায় পড়েছেন৷ ৯৬ বছরের একটা ঝুলন্ত সেতু কীভাবে হৃষিকেশের জনজীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়েছিল, তা এখন বেশ টের পাচ্ছেন সকলে৷ কিন্তু তাকে ফিরিয়ে আনার পথ নেই৷ লছমন ঝুলার বিকল্প হিসেবে অন্য দুটি ব্রিজ তৈরি করে দেওয়ার তোড়জোড় চলছে৷

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘টিপু জয়ন্তী’ বন্ধের নির্দেশ ইয়েদুরাপ্পার, নিন্দায় সরব বিরোধীরা]

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং