৩২ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ১৮ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নিজস্ব সংবাদদাতা, তেহট্টঘর থেকে মাত্র দু পা দূরে মন ভাল করা সব ভ্রমণস্থান। কিন্তু এতদিন ধরে তাও দেখে উঠতে পারেননি হয়তো অনেকেই। তাই এবারের শীতে আপনার ডেস্টিনেশন হতেই পারে, নদিয়ার বেথুয়াডহরি অভয়ারণ্য। একেবারে জঙ্গলের প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝেই জঙ্গলবাসীদের সঙ্গে মোলাকাত।

বন্যপ্রাণ বিশেষত বিপন্ন পশু, পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রায় চার দশক আগে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় তৈরি হয়েছিল বেথুয়াডহরি অভয়ারণ্য। ৬৭ হেক্টর সবুজ এলাকাজুড়ে সোনাজঙ্ঘা, চিতল হরিণ, ময়ূর, মুনিয়া, চন্দনাদের রাজত্ব। অরণ্যে ঢুকলে বোঝা যায়, এখানকার বাসিন্দাদের তালিকাটা আরও লম্বা। পাইথন, কচ্ছপ, ঘড়িয়াল- মিলেমিশে রয়েছে সবাই। সুন্দরবনের আয়লার সময় বিপন্ন হয়ে পড়া বিরল প্রজাতির সারস সোনাজঙ্ঘা আশ্রয় পেয়েছে এখানে। আর হয়ে উঠেছে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। দৈত্যাকৃতির পাইথন কিম্বা শান্ত চিতল হরিণীর টানও কিছু কম নয়। 

                                                             আংশিকভাবে খুলল বেঙ্গল সাফারি পার্ক, এখনও হদিশ নেই চিতাবাঘের

বছরভর এদের টানে বেথুয়াডহরিতে ভিড় লেগেই থাকে। তবে শীতের মরসুমে সেই ভিড় আরও বাড়তে থাকে। এসময় আবার বাড়তি আকর্ষণ রাত্রিকালীন জঙ্গল ভ্রমণ। রাতের নৈঃশব্দের সঙ্গে মিশে যাওয়া হরিণের জলপান কিম্বা সরীসূপের চলাফেরা শব্দ শোনার মতো রোমাঞ্চের টানে অনেকেই ঘাঁটি গাড়েন জঙ্গল লাগোয়া কটেজগুলোয়। ইকো কটেজ বুকিংয়ের জন্য শুধু ক্লিক করতে হবে www.wbsfda.gov.in -এ। এক রাতে মাত্র ৫০০ টাকায় পেয়ে যাবেন দুটি ঘর। গেস্ট রুম চাইলে, তাও আছে। ভাড়া রাত প্রতি হাজার টাকা। এছাড়া নদিয়া, মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ফরেস্ট অফিস থেকে বুক করা যায়। ইকো কটেজে জায়গা না পেলে, বিকল্প আরও রয়েছে। বেথুয়াডহরি ফরেস্টের বাংলোটিও আপনি ভাড়া নিতে পারেন। এই বুকিং কলকাতা থেকেও হয়। এক রাতের ভাড়া হাজার টাকা। খাওয়াদাওয়া নিয়ে ভাবতে হবে না, এঁরাই সব ব্যবস্থা করে দেন।

                                                    প্লাস্টিক দূষণ রোধে উদ্যোগ, গ্রামবাসীদের মাটির ভাঁড়ে চা খাওয়াল পঞ্চায়েত

জঙ্গল দেখা, জঙ্গলবাসের খুঁটিনাটি তো জানলেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছবেন কীভাবে? শিয়ালদহ থেকে আপ লালগোলায় উঠলে পৌনে তিন ঘন্টার মধ্যে সোজা বেথুয়াডহরি স্টেশন। সেখান থেকে টোটো চড়ে দেড় কিলোমিটার পথ পেরোলেই পা রাখবেন জঙ্গলের প্রবেশদ্বারে। ট্রেনে না চাইলে, বাসে উঠে পড়তে পারেন। ৩৪ নং জাতীয় সড়ক ধরে সোজা বেথুয়াডহরি জঙ্গল। পড়ুয়াদের জন্য জঙ্গল ভ্রমণে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও আছে। ঘন সবুজ আর পাখিদের কুহুতানে আপনার মন ভাল হবেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং