৪ ভাদ্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ ভাদ্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি পাহাড় ভালবাসেন? ব্যস্ত জীবন থেকে সময় বের করে অবসর কাটাতে চান একেবারে নিরিবিলিতে? উত্তর হ্যাঁ হলে পুজোর ছুটিতে পাড়ি দিন সিকিমের ছালামাথাংয়ের উদ্দেশে৷ পাহাড়ি এই গ্রাম আপনাকে নতুন করে বাঁচার অক্সিজেন জোগান দেবে তা বলাই যায়৷

[আরও পড়ুন: অযোধ্যা পাহাড়ে এবার অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের গাইডলাইন চালু পুলিশের]

দক্ষিণ সিকিমের একটি গ্রাম ছালামাথাং। ৫৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ছালামথাং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা৷ যতদূর চোখ যায় দেখা যায় দেখতে পাবেন ছোট ছোট বাড়ি আর বাড়ি লাগোয়া খেত৷ প্রায় প্রত্যেকেরই বাড়ির সামনে চাষ হয় এখানে৷ জৈবসার দিয়ে ফলানো হয় আলু, সিম, চালকুমড়ো, বেগুন৷ খড়ের ছাউনি দেওয়া ঘরে বসে চা-কফির কাপে ঠোঁট ছোঁয়ানোর সময় দেখতে পাবেন দূরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাহাড়, সবুজ উপত্যকার মধ্য দিয়ে নিজের গতিতে বয়ে চলেছে তিস্তা৷ পায়ে হেঁটেই ঘুরে বেড়াতে পারেন ছালামাথাং৷ পাহাড় এবং জঙ্গলের পথ ধরে দেখে নিতেই পারেন বনঝাকরি গুহা, রক গার্ডেন, রামিতে ভিউ পয়েন্ট, ঝরনা৷

Chalmathang

পাহাড়ি পথে গাড়ি চড়ে ঘোরার ইচ্ছাপূরণ করে নিতে পারেন৷ সকালের দিকে পাড়ি জমাতে পারেন মঙ্গলধাম মন্দিরে৷ ইতিহাসের ফিসফিসানি শুনতে চাইলে ১৬০ বছরের পুরনো হেরিটেজ হাউসে আপনাকে যেতেই হবে৷ গোটা ছালামাথাংয়ের সৌন্দর্য অনুভব করতে চাইলে অবশ্যই ঘুরে আসুন রসাইলি ভিউ পয়েন্ট, দেওরালি ভিউ পয়েন্ট, লাভদাঁড়া ভিউ পয়েন্ট৷ এই জায়গাগুলি আপনাকে মুগ্ধ করবেই৷

[আরও পড়ুন: অফবিট জায়গা ভালবাসেন? রইল ব্যতিক্রমী কিছু জলপ্রপাতের ঠিকানা]

কীভাবে যাবেন:
নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ছালামাথাংয়ের দূরত্ব প্রায় ১০৫ কিলোমিটার। পুরো গাড়ি রিজার্ভ করলে ভাড়া পড়বে প্রায় চার হাজার টাকা। কম খরচে আসতে চাইলে শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার জিপে পৌঁছে যেতে পারেন ছালামাথাং। এছাড়া শিলিগুড়ি এসএনটি বাসস্ট্যান্ড থেকে ছাড়া গ্যাংটকগামী শেয়ার জিপ ধরে যেতে পারেন সিংতাম। সেখান থেকে ছালামাথাং কাছেই। অন্য গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান ছালামাথাং।

[আরও পড়ুন: ডাল লেক নয়, বছর শেষে কাশ্মীর ভ্রমণের তালিকায় থাক এই ৫ অফবিট জায়গা]

ছালমাথাংয়ে থাকার জন্য হোম স্টে রয়েছে৷ সেখানেই সেরে নিতে হবে খাওয়াদাওয়া৷ পাহাড়ি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি বাসিন্দাদের আতিথেয়তাও আপনার মন ছোঁবে তা হলফ করে বলা যায়৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং