১০ ফাল্গুন  ১৪২৬  রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একা খরায় রক্ষে নেই, দাবানল দোসর! ফি গ্রীষ্মে একই চিত্র অস্ট্রেলিয়ায়। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলিতে এখন প্রখর গ্রীষ্ম। যার মধ্যে তীব্র দাবদাহে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়া। প্রত্যেক গ্রীষ্মেই খরার জেরে শুকিয়ে যায় দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার নদী-নালা। সূর্যের তাপে আগুন ধরে যায় বনভূমিতে। মাস তিনেক ধরে বিধ্বংসী দাবানলে ছারখার হয়ে গিয়েছে সবুজ বনাঞ্চল। খরার জন্য জলের অভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে দমকল, তেমনই তৃষ্ণায় মরে যাচ্ছে বহু পশুপাখি। এবার জলের সমস্যা মেটাতে বন্য উট মারার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ১০ হাজার উট মারা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এবার প্রশ্ন জাগবে, জলের জন্য উট মারা কেন? খরাপ্রবণ দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার আনাঙ্গু পিতজানজাতজারা ইয়াঙ্কুনিজাতজারা (এওয়াইপি) অঞ্চলে প্রচুর বুনো উট এসে নদী-নালার জল খেয়ে নিচ্ছে। যার জন্য দাবানল প্রতিহত করার জন্য জলের সমস্যা যেমন হচ্ছে, তেমনই বহু পশুপাখি গরমে তৃষ্ণায় প্রাণ হারাচ্ছে। মূলত, আদিম জনজাতি অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হাজার হাজার উট এসে জল, ফসল খেয়ে ফেলছে। এই অঞ্চলের স্থানীয় এগজিকিউটিভ বোর্ড সদস্য মারিতা বেকার জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ৫ দিনের মধ্যে উটগুলিকে গুলি করে মারা হবে।

[আরও পড়ুন: বিধ্বংসী দাবানলের গ্রাস থেকে ৯০ হাজার পশুপাখিকে বাঁচিয়ে ‘হিরো’ আরউইন পরিবার]

জানা গিয়েছে, প্রায় ১০ হাজার উট মারা হবে। বন্য উটগুলিকে মারার জন্য প্রশিক্ষিত শিকারি ভাড়া করা হচ্ছে। এর জন্য তিন-চারদিন লেগে যেতে পারে। বন্যপ্রাণ দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দাবানলের জেরে প্রায় ৫০ কোটি প্রাণী মারা পড়েছে। এই উটদের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ না হলে ৯ বছর অন্তর এরা সংখ্যায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে যাওয়ার জন্যও এরাই দায়ী। তাই সবদিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উটগুলিকে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে মারা হবে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং