×

৫ ফাল্গুন  ১৪২৫  সোমবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নিউজলেটার

৫ ফাল্গুন  ১৪২৫  সোমবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বদলেছে সমাজ৷ বদলাচ্ছে ‘অর্ধেক আকাশ’৷ আধুনিক হয়েছেন মহিলারা৷ আর কোনও নিয়মের গণ্ডিতে বেঁধে রাখা যাচ্ছে না তাঁদের৷ ভাঙছে গোঁড়ামি৷ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়েছেন তাঁরা৷ চেতনা থেকে জন্ম নিয়েছে বিপ্লব৷ যা আগে চলত, আগে বলা হত তা এখন স্রেফ ব্যাকডেটেড, বস্তাপচা। আধুনিক বিশ্বে তা আর চলতে পারে না, তেমনই একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নতুন বউ। ভাঙলেন পুরনো একঘেয়ে নিয়ম৷ তিনি যে বরের বিয়ে করা দাসী নন এবং বাবা-মায়ের ঋণও যে তাঁর পক্ষে শোধ করা সম্ভব নয়, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন বঙ্গললনা। জেনওয়াইয়ের বক্তব্য, স্টিরিওটাইপ সেই নিয়মই বদলে উপযুক্ত কাজ করেছেন তিনি৷ 

[উত্তরবঙ্গে ক্রমশ কমছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা, উদ্বেগে বনদপ্তর]

বিয়ে হয়ে গিয়েছে। মেয়ে বাপের বাড়ি ছেড়ে যাবে শ্বশুরবাড়ি৷ আঁচল পেতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মা। কান্নাকাটির রোল৷ কনকাঞ্জলি দিয়ে মায়ের আঁচলে মুঠো ভরতি চাল ফেলে মেয়েরা বলে যায়, ‘‘বাবা মায়ের ঋণ শোধ করে দিয়ে গেলাম।’’ এটাই সাধারণত হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ের চিরাচরিত প্রেক্ষাপট৷ এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি৷ প্রেক্ষাপট একইরকম৷ মা-মেয়ে দু’জনেই হাজির৷ পুরনো দিনের নিয়ম মেনে চলা মা চোখের জল মুছতে মুছতেই আঁচল পেতে দাঁড়িয়েছিলেন৷ কিন্তু এখানে মেয়েই ঘটালেন ‘বিপ্লব’৷ নতুন কনের চোখে জল নেই৷ বরং তিনি দিব্যি হাসছেন৷ কনকাঞ্জলিও দিলেন তিনি৷ কিন্তু সেই একঘেয়ে বাণী তাঁর না-পসন্দ৷ মনে মনে যখন তিনি সে কথা মানেন না, তখন মুখেই বা বলবেন কেন? তাই তো নতুন বউ মায়ের আঁচলে মুঠো ভরতি চাল দিলেন ঠিকই৷ কিন্তু ঋণ শোধ করে গেলেন না। প্রথা ভেঙে বলে গেলেন, “বাবা-মায়ের ঋণ শোধ করা যায় না। কোনওদিনই ঋণ শোধ করতে পারব না।”  

[হাসপাতাল চত্বরে সরষে চাষ! কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক]

লাল বেনারসিতে কনে বেশে থাকা কনে যেন লাজুকই হবেন৷ তিনি কাঁদতে পারেন, কিন্তু নিয়ম নিয়ে কোনও মন্তব্য করাই যেন অপরাধের শামিল৷ এমনই দাবি অনুষ্ঠানে উপস্থিত গুরুজনদের৷ তাই মেয়ের মুখ থেকে ‘ঋণ শোধ করা অসম্ভব’ এই কথা শুনে রীতিমতো হইহই করে উঠলেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেক কাকিমা-জেঠিমাই। কী বলছে কনে প্রশ্ন করলেন অনেকেই। তবে তাতে দমে যাওয়ার পাত্রী নন নতুন কনে৷ তিনি একই উত্তর দেন, “বাবা মায়ের ঋণ আবার কী শোধ করব? এই ঋণ কোনও দিনই শোধ করা যায় না।” তবে শুধুই যে ‘বিপ্লবী’-কে সমালোচিত হতে হল তা নয়৷ অনেকে এমন স্টিরিওটাইপ নিয়ম ভাঙার জন্য বাহবাও দিলেন তাঁকে৷ বাড়িতে উপস্থিত ভাইবোনেদের কাছে এই দিদিই এখন নতুন দৃষ্টান্ত৷ প্রশংসায় পঞ্চমুখ তাঁরা৷ সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা এখন নেটিজেনদের টাইমলাইনে টাইমলাইনে ঘুরছে।

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং