৩২ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ১৮ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৩২ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ১৮ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

স্টাফ রিপোর্টার: কে আসবে কেন্দ্রের ক্ষমতায়? ওপিনিয়ন পোল করছে বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমগুলি। কেউ বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। কেউ আবার বলছে, অ্যাডভান্টেজ কংগ্রেস। কিন্তু বাংলার পঞ্জিকাগুলির মূল্যায়ন- কোনও দলই একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে না।

শেষ পর্বে এবছরের লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই তাই প্রার্থীরা পঞ্জিকার পাতা উলটে মিলিয়েও দেখছেন ভোটের ভাগ্যটা কেমন যাবে। আর এখানেই নজর এসেছে লোকসভা ভোট নিয়ে পঞ্জিকাগুলির মূল্যায়ন। বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা বলছে, “বর্তমান পরিস্থিতিতে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে।”

তবে কেন্দ্রে বিজেপি ফের সরকার গঠন করবে, এমন ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকায়। যেখানে বলা হয়েছে, “তৎসত্ত্বেও বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার স্বচ্ছ ও সুন্দর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃষি-যোজনা, মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও মহিলাদের জন্য বিশেষ বিশেষ প্রকল্প প্রণয়ন করে আর্থিক সমৃদ্ধি দ্বারা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি সাধনে চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।” পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পর্কেও মূল্যায়ন করেছে এই পঞ্জিকা। বলেছে, “বর্তমান বছরে রাজ্যে রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকবে না। তৎসত্ত্বেও সরকার রাজ্যের উন্নয়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।”

[ আরও: সন্ত্রাস দমনে ফের সাফল্য সেনার, কাশ্মীরে নিকেশ দুই জেহাদি ]

বিজেপি কিংবা কংগ্রেস, কোনও দলই এককভাবে দিল্লিতে সরকার গঠন করতে পারবে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেছে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা। তারা বলছে, “পশ্চিম ও উত্তর ভারতে শাসকদলের নির্বাচনের ফলাফল পূর্বের সাফল্যের প্রায় অর্ধেকে এসে ঠেকবে। কোনও রাজনৈতিক দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম হবে না।” সেইসঙ্গে দেশের অবস্থাও তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, “বর্তমান বছরে ভারতবর্ষে লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে জাতি ও ধর্মীয় ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে নিজ নিজ স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা চলবে। মূল বিষয় থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে রাখবে। যার জন্য কিছু নেতার লাভ হবে বটে, তবে প্রকৃতপক্ষে লাভ হবে বিরোধী দল সমূহের।”

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই অংশে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা। পাশাপাশি রাজ্যের অবস্থাও ব্যক্ত করা হয়েছে। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে দেশে বাংলা এগোবে। বলা হয়েছে, “বাংলা রাজ্য রাজনৈতিক দিক থেকে অনেকটা শক্তিশালী হবে এবং দেশীয় রাজনীতিতে তার একটা প্রভাব সৃষ্টি করতে পারবে।” রাজ্যে যে ক’টি পঞ্জিকা গৃহস্থের ঘরে যায়, তাতে বেণীমাধব শীল, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত ছাড়াও রয়েছে গুপ্ত প্রেসের পঞ্জিকা। এই পঞ্জিকার মূল্যায়ন, কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। আসন কমবে আগের বারের থেকে। রাজ্যে তৃণমূলের পক্ষে ৪২টি আসনই জেতা সহজ নয়, এমনটা অভিমত পঞ্জিকার।

সবমিলিয়ে ২৩ মে গণনার দিন এটাই দেখার, পঞ্জিকার দেওয়া ভাগ্য বিশ্লেষণ কতদূর মেলে। অনেকেই বলেন, টিভি চ্যানেলের ওপিনিয়ন পোল তো সব সময় মেলে না।

[ আরও পড়ুন: দিল্লি-সহ সাত রাজ্যের ৫৯ আসনে চলছে ভোট, একাধিক হেভিওয়েটের ভাগ্যনির্ধারণ ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং