৪০ লাখি শাড়ি থেকে ৩ হাজার কোটির মূর্তি! বিশ্বের কাছে ঈর্ষণীয় ভারতের এই সব ‘অমূল্য রতন’
তালিকায় চা থেকে শাড়ি কী নেই! অবাক করে দেয় এই সব সম্পদের বিবরণ।
বরাবরই এই দেশের সম্পদ দেখে চোখ টাটিয়েছে গোটা বিশ্বের। সাম্রাজ্যবাদীরা বারে বারে এই দেশ লুঠ করতে হানা চালিয়েছে। আজকের বিশ্বেও ভারত এক সম্পদশালী দেশ। তার ভাণ্ডারে যেমন রয়েছে ১০০ কোটির ট্রেন, তেমনই রয়েছে ৪০ লাখের শাড়ি। এদেশে বল্লভভাই প্যাটেলের বিরাট উঁচু মূর্তি তৈরি করতে যা খরচ পড়েছে তাতে যে কারও চোখ ধাঁধাতে বাধ্য। দেখে নেওয়া যাক, ভারতের এই সব 'অমূল্য রতন'-এর তালিকা।
আরও পড়ুন:
মুম্বইয়ের আল্টামাউন্ট রোডে অবস্থিত অ্যান্টিলাকে ঘিরে বিস্ময়ের অবধি নেই। ভারতের ধনীতম ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির এই বাড়ি যেন সত্যিই এক অবিশ্বাস্য নির্মাণ। রিখটার স্কেলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পও এই ২৭ তলা ভবনের কোনও ক্ষতি পারবে না। ৫৭০ ফুট উঁচু বাড়িটির ভিতরে রয়েছে এমন বিরাট গ্যারেজ, যেখানে ১৬৮টি গাড়ি রাখা যাবে! রয়েছে তিন-তিনটি হেলিপ্যাড। রয়েছে একটি ব্যক্তিগত থিয়েটার, ঝুলন্ত বাগান এমন কত কী! এর আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার...
১৮৬৫ সালে বরোদার মহারাজা খাণ্ডে রাও গাইকোয়াড তৈরি করেছিলেন এক কার্পেট। রত্নখচিত সেই কার্পেট আজ ঠাঁই পেয়েছে কাতারের জাতীয় জাদুঘরে। অতীতে ভারতের সম্পদ কতটা সমৃদ্ধশালী ছিল তা এই তথ্য থেকেই বোঝা যায়। মদিনায় উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য নির্মিত হয়েছিল এই কার্পেট। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ লক্ষাধিক বাসরার মুক্তো এবং মূল্যবান পাথর। হিরে, পান্না, নীলকান্ত মণি কী নেই! হরিণের চামড়া এবং রেশম দিয়ে তৈরি এই কার্পেটের...
আরও পড়ুন:
সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি উচ্চগতির বন্দে ভারত এক্সপ্রেস সেমি-হাই-স্পিড ট্রেন। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮০ কিমি বেগেও চলতে পারে এই ট্রেন। স্লাইডিং ডোর, অটোমেটিক প্লাগ ডোর, সিসিটিভি ক্যামেরায় মোড়া এই ট্রেনের বর্তমান সংস্করণ আগের চেয়েও উন্নত। শোনা যায়, একেকটি ট্রেনের নির্মাণ খরচ প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ কোটি টাকা।
৫ নভেম্বর, ২০১৩। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে PSLV-C25 রকেটের সাহায্যে মহাকাশে পাড়ি দেয় ইসরোর মঙ্গলগামী স্বপ্নযান। যার নাম মঙ্গলযান। প্রায় এক বছর পরে ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ তারিখে সেই যান মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করতেই রচিত হয় এক অনন্য ইতিহাস। ভারতই বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা মঙ্গলের কক্ষপথে ঢোকার প্রচেষ্টা করে প্রথমবারই সফল হল। এই গোটা অভিযানের খরচ পড়েছিল ৪৫০ কোটি টাকা! তবে এই খরচ শুনে যতই চোখ কপালে...
গুজরাটের সুরাট ডায়মন্ড বার্স বিশ্বের বৃহত্তম অফিস ভবন। এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে সাড়ে চার হাজারের বেশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক হিরে ব্যবসায়ীদের অফিস। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন এই সুরাট ডায়মন্ড বার্সের। ৩৫.৫৪ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই প্রকল্পটি ৩,৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প! অঙ্ক শুনলে তাক লাগতে বাধ্য।
মুকেশ অম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানির সঙ্গে রাধিকার বিয়ে ঘিরে গোটা মুম্বই-ই যেন হয়ে উঠেছিল 'বিয়েবাড়ি'। মাসাধিক কাল ধরে চলতে থাকা এই বিয়েতে তারকা সমাগম ছিল সংবাদের শিরোনামে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের দাবি, এই বিয়েতে খরচ হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা! যদিও তা আম্বানি পরিবারের মোট সম্পদের মাত্র ০.০৫ শতাংশ।
ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। শব্দের চেয়ে প্রায় ২.৮ থেকে ৩ গুণ বেশি দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে পারে। 'অপারেশন সিঁদুর'-এর সময় ব্রহ্মস কীভাবে পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিল, সেকথা সকলেরই জানা। এই মিসাইলের প্রতি ইউনিটের খরচ প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ কোটি টাকা!