পাখির খোঁজে ‘মিনি সুন্দরবন’, ক্যামেরাবন্দি করে ‘বার্ড ট্যুরিজম’ পুরুলিয়ায়
রঞ্জনডির জলাধারে আগত পরিযায়ী পাখিদের ছবি তোলার প্রতিযোগিতা শুরু, দেখুন ছবি।
বাংলার জঙ্গলমহলের অন্যতম সুন্দরী জেলা পুরুলিয়া। আপাত রুক্ষ্ম এই জেলা কিন্তু বেশ রূপবতী। জল-জঙ্গল,পাহাড় মিলিয়ে প্রকৃতি অপার সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে সাবেক মানভূমে। শীতের পুরুলিয়া আরও মোহময়ী। আর তাকে কেন্দ্র করে আরও পর্যটন বিস্তারে এবার নয়া পদক্ষেপ নেওয়া হল। কাশীপুরের 'মিনি সুন্দরবন' রঞ্জনডির নীল জলাধারে ডানা ঝাপটানো হরেক পাখিকে ক্যামেরাবন্দি করতে চায় রঘুনাথপুর মহকুমা প্রশাসন। এর মাধ্যমে রঞ্জনডিকে ঘিরে 'বার্ড ট্যুরিজম' তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ছবি: সুমিত...
আরও পড়ুন:
পুরুলিয়ার বিভিন্ন জলাশয়ে দেশীয় পাখি ছাড়াও নানান দেশ থেকে বহু পরিযায়ী পাখি আসে। তার মধ্যে অন্যতম এই রঞ্জনডি জলাধার। তবে পক্ষীপ্রেমীদের মধ্যে তা খুব বেশি প্রচার লাভ করেনি। কয়েক বছর ধরে বনমহলের এই জেলায় বনদপ্তরও বিভিন্ন জলাশয়ে আসা পাখিকে পর্যবেক্ষণ ও গণনার মধ্য দিয়ে পুরুলিয়ায় পাখি সমীক্ষার কাজ করছে।
ঝালদার কুকি ড্যাম, কোটশিলার মুরগুমা, জয়পুরের রানিবাঁধ, আদ্রা ও আনাড়ার সাহেববাঁধ, নিতুড়িয়ার পাঞ্চেত জলাধার, বলরামপুরের কুমারী ড্যাম, বান্দোয়ানের টটকো জলাধার এদের ক্ষণিকের ডেরা। এই জলাধারগুলিতে আসা বিভিন্ন পাখিকে বহুদিন ধরে ক্যামেরাবন্দি করে আসছেন এই জেলা সহ অন্যান্য জেলার আলোকচিত্রীরা। এমনকি পর্যটকরাও। সবমিলিয়ে পুরুলিয়া আক্ষরিক অর্থেই পাখিরালয়!ছবি: সুমিত বিশ্বাস।
আরও পড়ুন:
রঞ্জনডির জলাধার ঘিরে 'বার্ড ট্যুরিজম' গড়ে তোলা লক্ষ্য প্রশাসনের। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী দিনে এই জলাধারের পাশে পক্ষী নিরীক্ষণ কেন্দ্র থেকে দূরবীনে পর্যটকরা পাখি দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আলোকচিত্রী প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে 'মিনি সুন্দরবন'কেও পর্যটকদের কাছে এই শীতের মরশুমে আলাদাভাবে তুলে ধরতে চাইছে রঘুনাথপুর মহকুমা প্রশাসন।