২৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কালীপুজো মানেই বারাসত। আলোয় আলোয় সেজে ওঠে চারিপাশ। কিন্তু শ্যামার আরাধনায় খামতি থাকে না নৈহাটিতেও। আর নৈহাটির শ্যামাপুজো মানেই অরবিন্দ রোডের বড় কালী অর্থাৎ বড়মার পুজো। এই পুজোর উদ্বোধনের মাধ্যমেই কালী আরাধনা শুরু হয় নৈহাটিতে। বড়মার পরই  বিসর্জন হয় অন্য প্রতিমার। স্থানীয়দের বিশ্বাস বড়মা খুবই জাগ্রত। মায়ের কাছে কোনও কিছু চাইলে ভক্তের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। তাই মায়ের আশীর্বাদ পেতে ভক্তের ঢল দেখা যায় মন্দির চত্বরে।

বহু বছর আগে নৈহাটির অরবিন্দ রোডের ধর্মশালা মোড়ে রক্ষাকালী পুজো হত। পুজোর পরে গভীর রাতেই প্রতিমা বিসর্জনও দেওয়া হত। পরবর্তীকালে সেই পুজো বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বছর পঁচাশি আগে নবদ্বীপের রাস উৎসবে যান নৈহাটির বাসিন্দা ভবতোষ চক্রবর্তী। সেখানে বিশাল প্রতিমা দেখে ফিরে এসেই ঠিক করেছিলেন কালীপুজো করবেন। সেই থেকেই শুরু পুজো। তবে, কালীরূপে নয়, নৈহাটিতে দেবী পূজিতা হন বড়মা রূপে। এই প্রতিমার উচ্চতা হয় ২২ ফুট। বড়মার মূর্তিই নৈহাটির সব থেকে বড় মূর্তি। নৈহাটির কোনও প্রতিমার উচ্চতাই এর থেকে বেশি হয় না।পুজোর সময় কৃষ্ণবর্ণ প্রতিমা সেজে ওঠে প্রায় একশো ভরির সোনা ও ২০০ ভরির রূপোর গয়নায়।

পুজো কমিটির সম্পাদক তাপস চক্রবর্তী জানান, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা বড়মার টানে পুজোর দিনে নৈহাটিতে ছুটে আসেন। এই পুজোয় শামিল হন উত্তরবঙ্গের বাসিন্দারাও। মনস্কামনা পূরণ হলে দেবীকে সোনা-রূপোর অলংকারে ভরিয়ে দেন ভক্তরা। জানা গিয়েছে, ভক্তদের দেওয়া দেড় কোটি টাকার গয়না ব্যাংকের লকারে বছরভর গচ্ছিত থাকে। পুজোর দিন সেই লকার থেকেই গয়না এনে দেবীকে পরানো হয়। এই পুজোতে কোনওরকম চাঁদা নেওয়া হয় না। সদস্যদের আর্থিক সহায়তা ও ভক্তদের অনুদানেই পুজো পেয়ে আসছেন নৈহাটির বড়মা।

[আরও পড়ুন:কালীপুজোর উদ্বোধনে বাবুল গাইলেন “হটা সাওয়ান কী ঘটা”, থেমে গেল বৃষ্টি]

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং