৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারিভাবে সত্যিটা জানার উপায় নেই। তথ্য যা মিলল তারপর এটা লিখে দেওয়া যায় যে ইস্টবেঙ্গলের ‘আলে স্যর’ বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহনবাগান-মহামেডান ম্যাচ চলাকালীন টিভির সামনে থেকে সরেননি।

[আরও পড়ুন: ‘জনগণমন’র তালে ভারতীয় জওয়ানদের সম্মানজ্ঞাপন, ভাইরাল মার্কিন সেনার কীর্তি]

সরবেনই বা কী করে? এদিন কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ লড়াইয়ে যেভাবে মোহনবাগানের সলিল সমাধি ঘটল, ইস্টবেঙ্গল কোচ জানেন সামান্য উনিশ-বিশ ঘটলে শুক্রবার অপেক্ষাকৃত দুর্বল রেনবোর বিরুদ্ধে তাঁর দলের একই পরিস্থিতি হতে পারে।

আরও সহজ করে বলতে গেলে বলতে হয়, ইস্টবেঙ্গলের ‘ছেলে’-র দিকে তাকিয়ে লাল হলুদ সমর্থকরা। লিগের শুরুতে কোচ প্রশান্ত চক্রবর্তী রেনবোকে ডুবিয়ে দেওয়ার পর ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে সৌমিক দে’র হাতে দলের দায়িত্ব। যাঁর নিজের কথায় “সেভাবে বলতে গেলে সাড়ে তিন দিন প্র‌্যাকটিসের সুযোগ পেয়েছি। দেড় দিনের মাথায় মোহনবাগান ম্যাচ খেলেছি। শুক্রবার ফের ইস্টবেঙ্গল। অল্প সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব দলের খেলায় উন্নতি করার চেষ্টা করছি।” কিন্তু ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গল মাঠে উল্টোদিকের বেঞ্চে বসে লাল-হলুদের পয়েন্ট কাড়ার চেষ্টায় সামান্য কি আবেগতাড়িত হয়ে পড়বেন না? সৌমিক বললেন, “অন্য কোনও জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে খেলিনি। কিন্তু কোচিং আলাদা জিনিস। সেখানে ছ’পয়েন্টে থাকা রেনবোকে বাঁচানোর চেষ্টা করতেই হবে।”

আলেজান্দ্রো রেনবোর বিরুদ্ধে কী দল সাজাবেন জানার উপায় নেই। ইদানীং ম্যাচের আগের দিন প্র্যাকটিস থেকে বহু দূরে চলে গিয়েছেন। এদিন নিউটাউনের যে কমপ্লেক্সে থাকেন, সেখানে সকালে ফুটবলারদের নিয়ে ভিডিও ক্লাসের পর টিম মিটিং সারেন। রেনবো নিয়ে আলোচনা হয়নি। যা হয়েছে সবই শেষ ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে পারফরম্যান্স নিয়ে। তবে এটুকু বুঝেছেন, ডুরান্ডের পর লিগে লাল-হলুদের মশাল জ্বলে উঠবে কিনা তা ঠিক হবে শুক্রবার। কারণ, বৃহস্পতিবার ভবানীপুরকে হারিয়ে অনেকটাই এগিয়ে পিয়ারলেস।

[আরও পড়ুন: সৌদি শোধনাগারে হামলার জের, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং