৪ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

স্টাফ রিপোর্টার: কলকাতা লিগের সাপ লুডোর খেলায় ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ ভবানীপুর ক্লাব। যারা সাত ম্যাচ খেলে ১৩ পয়েন্টে থাকলেও গোল পার্থক্যে লাল-হলুদ এগিয়ে। তবে জুয়ানের অন্তর্ভুক্তি আলেজান্দ্রোর দলের শক্তি বাড়িয়েছে তা মানছেন ভবানীপুর কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী। ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো বা লাল-হলুদ দল নয়, শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ভয় অন্য জায়গায়। তিনি ভয় পাচ্ছেন ‘মাঠের বাইরের’ খেলায়।

[আরও পড়ুন: দুর্বল রেনবোর বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয় মোহনবাগানের, জমজমাট লিগের লড়াই]

যথারীতি ম্যাচের আগে দিন, রবিবার প্র‌্যাকটিস হয়নি ইস্টবেঙ্গলে। এদিকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানাতে দলবল নিয়ে রবিবার সকালে কল্যাণীতে চলে আসে ভবানীপুর। বিকেলে স্থানীয় মাঠে ফুটবলারদের প্র‌্যাকটিসও করান কোচ শংকরলাল। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘ম্যাচের দিন কলকাতা থেকে এসে ম্যাচ খেলায় ফুটবলাররা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সেই কারণেই একদিন আগে চলে এসেছি।’ কিন্তু, তাতেও যে অন্য খেলার ভয় কাটছে না ভবানীপুর কোচের।

গতকাল সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানতে চান, ‘আচ্ছা সোমবার ইস্টবেঙ্গল-ভবানীপুর ম্যাচটি কোন নিয়মে খেলা হতে পারে? ফিফার নিয়মে না অন্য নিয়মে?’ অন্য নিয়মের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ভবানীপুর কোচ বললেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আমি কোনও দোষ দেখছি না। প্রেম আর যুদ্ধে কোনও অন্যায় নেই। কিন্তু, গত এক সপ্তাহ ধরে মাঠের বাইরে যা ঘটছে, তাতে বুঝতে পারছি না ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে বাইরে কী ঘটবে? ফিফার আইনে খেলা হলে ভয় নেই। অন্য নিয়মে খেলা হলে ভয়ের কারণ আছে।’ একই সঙ্গে রেফারিদের উদ্দেশে বলেন, ‘ডার্বিতে বাইরে থেকে রেফারি এনে খেলানো হচ্ছে। এবার কলকাতার রেফারিরা নিজেদের জেদে ম্যাচ খেলাক। তবেই তাঁদের উপর ভরসা বাড়বে। আমরা রেফারির সাহায্য চাই না। নিরপেক্ষ রেফারিং চাইছি।’

[আরও পড়ুন: বাগানের ট্রফি জয়ের আশা ক্ষীণ, রেনবোর বিরুদ্ধে সাইরাসকে খেলাতে পারেন কিবু]

এর আগে মোহনবাগানের কাছে হারলেও মহামেডানকে ৩ গোল দিয়েছে। ফলে ইস্টবেঙ্গল-ভবানীপুর ম্যাচ ঘিরে অন্যরকম আবহর সৃষ্টি হয়েছে লিগে। অনেকে মনে করছেন, সোমবারের এই ম্যাচ হয়তো চ্যাম্পিয়নশিপের দিক নির্ণয় করবে। টানা ম্যাচ খেলায় এদিন ফুটবলারদের মাঠে নিয়ে যাননি আলেজান্দ্রো। পরিবর্তে রাজারহাটের একটি হোটেলের জিমে গা ঘামিয়ে টিম মিটিং করেন। তার মানে এই নয় যে, ভবানীপুর ক্লাব নিয়ে নানাভাবে বিশ্লেষণ করেছেন তিনি। বরং নিজেদের প্রস্তুতি নিয়েই বলেছেন। আলেজান্দ্রো ঠিক করতে পারেননি ভবানীপুরের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ কী করবেন। লিগ চ্যাম্পিয়নশিপে টিকে থাকতে ইস্টবেঙ্গলকে এই ম্যাচ জিততেই হবে। বিশেষ করে এরিয়ানের বিরুদ্ধে মোহনবাগান পয়েন্ট নষ্ট করার পর আর পিছন ফিরে তাকাতে চান না আলেজান্দ্রো।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং