BREAKING NEWS

১৩ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  বুধবার ২৭ মে ২০২০ 

Advertisement

মেটাতে হবে চিনা ব্যাংকের সাড়ে ৫ হাজার কোটি! আরও বিপাকে ‘দেউলিয়া’ অনিল আম্বানি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 23, 2020 11:01 am|    Updated: May 23, 2020 11:01 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এমনিতেই গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনের কর্ণধার অনিল আম্বানি। তাঁর সংস্থা আগেই নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। সম্পত্তি বেঁচে পাওনাদারদের দেনা মেটানোর কাজ শুরু করেছেন রিলায়েন্সের কর্ণধারও। কিন্তু তাতেও সমস্যা কমছে না অনিল আম্বানির (Anil Ambani)। ব্রিটেনের একটি আদালতের নির্দেশে তিনি আরও বিপাকে। ২০১২ সালের ‘পার্সোনাল গ্যারান্টি’ মামলায় ব্রিটেনের আদালতে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছেন রিলায়েন্স কমিউনিকেশনের (Reliance Communications) কর্ণধার। মাত্র ২১ দিনের মধ্যে চিনের তিনটি ব্যাংকের প্রায় ৫ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা ঋণ শোধ করতে হবে আম্বানিকে। যা এই মুহুর্তে তাঁর পক্ষে একপ্রকার অসম্ভব।

চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংক চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড কমার্সিয়াল ব্যাংক অব চায়না এবং এক্সিম ব্যাংক অব চায়না দাবি করছে, আম্বানির সংস্থাকে তারা ঋণ বাবদ কয়েক হাজার কোটি টাকা
দিয়েছে। এর মধ্যে একা চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকই আম্বানিকে ঋণ দিয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৯ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। এক্সিম ব্যাংক অব চায়না দিয়েছে ৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড
কমার্সিয়াল ব্যাংক অব চায়নার দাবি, তাঁরা আম্বানির সংস্থার কাছে ১ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা পায়। এই ঋণগুলি নাকি অনিল আম্বানি নিয়েছেন ব্যক্তিগত গ্যারান্টিতে। কিন্তু, ধীরে ধীরে আম্বানির ব্যবসায় ক্ষতি হতে থাকাই এই ব্যাংকগুলির ঋণ তিনি মেটাতে পারেননি। বাধ্য হয়ে ব্যাংকগুলি একই সঙ্গে ব্রিটেন এবং ভারতের আদালতে অনিলের বিরুদ্ধে মামলা করে।

[আরও পড়ুন: ‘মাত্র এক হাজার কোটি’, আমফান মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দ মনঃপূত নয় অধীরের]

শুক্রবার ব্রিটেনের আদালত জানিয়ে দেয়, মাত্র ২১ দিনের মধ্যে অনিলকে ৭১৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ মেটাতেই হবে। ভারতীয় মুদ্রায় যার অর্থমূল্য প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। ব্রিটেনের আদালতের নির্দেশ, অনিল আম্বানি যেহেতু এই ঋণ ব্যক্তিগত গ্যারান্টিতে নিয়েছেন, তাঁর দেউলিয়া হয়ে যাওয়া সংস্থার গ্যারান্টিতে নেননি, তাই সংস্থা দেউলিয়া হলেও তাঁকে ঋণ মেটাতেই হবে। যদিও আম্বানির সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, তিনি ব্যাক্তিগত গ্যারান্টিতে ঋণ নেননি। তাই তা শোধ করতে বাধ্য নন। উল্লেখ্য, এর আগে ভারতের একাধিক ব্যাংকের ঋণ মামলাতেও বেকায়দায় পড়েছিলেন অনিল। এমনকি, তাঁর জেলও হতে পারত। যদিও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচিয়ে দেন দাদা মুকেশ আম্বানি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement