২৬  শ্রাবণ  ১৪২৯  সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

ট্রাম্পের চেয়ে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য পুতিন ও জিনপিং!

Published by: Tanujit Das |    Posted: October 3, 2018 4:41 pm|    Updated: October 3, 2018 5:07 pm

Globe have less confidence in Trump’s ability to lead than Vladimir Putin and Xi Jinping

ফাইস চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষপদে ডোনাল্ড ট্রাম্প আসার পর থেকেই প্রেসিডেন্টের চেয়ারকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একের পর এক বিতর্ক৷ মুখ খুললেই দেশবাসী-সহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্তাদের বিপদে ফেলেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ বুশ, ওবামার চেয়ারে বসে বারবারই ট্রাম্পের প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ আর উঠবে নাই বা কেন, কারণ, এই সমস্ত ক্ষেত্রেই তাঁর চেয়ে অনেক গুণ এগিয়ে রয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং৷ কেবল দেশকে নেতৃত্ব দানেই তাঁরা এগিয়ে নেই, বরং বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ট্রাম্পের তুলনায় বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন পুতিন ও জিনপিংকে৷

[চোখের চিকিৎসায় বিপ্লব এনে পদার্থে নোবেল তিন বিজ্ঞানীর]

সম্প্রতি এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে পিউ রিসার্চ সেন্টার নামের একটি সংস্থা৷ ২৫ দেশের নাগরিকদের মধ্যে একটি সমীক্ষা করে এই তথ্য করেছে সংস্থাটি৷ যেখানে ওই দেশের নাগরিকরা স্বীকার করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের তুলনায় নেতৃত্বদানের ক্ষমতায় অনেক এগিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ও চিনের প্রেসিডেন্ট৷ ট্রাম্পের চেয়ে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য পুতিন ও জিনপিং৷ ‘এই ফলাফল নতুন কিছু নয়, এটা হওয়ারই ছিল’ এমনই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা৷ এর কারণ হিসাবে তাঁদের ব্যাখ্যা, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ প্যারিস জলবায়ু বৈঠকে মার্কিন গন্ডগোলের সূত্রপাতের জন্যও ট্রাম্পকেই দায়ী করা হয়৷ ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিল করার সিদ্ধান্তও ছিল ট্রাম্পেরই৷ ন্যাটোর সঙ্গী এবং জি৭ শীর্ষ বৈঠকে জার্মানি ও কানাডার সঙ্গে ট্রাম্পের দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় তাঁর আমলেই৷ এখানেই শেষ নয়, একটি প্লে-বয় ম্যাগাজিনের মডেলের সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম৷ 

[সম্মুখসমরে বেজিং-ওয়াশিংটন! দক্ষিণ চিন সাগরে মুখোমুখি দু’দেশের রণতরী]

গত মাসে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ সেখানে নিজেই নিজের ঢাক পেটান ট্রাম্প৷ দেখাতে চান তাঁর আমলেই সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে মার্কিন মুলুকের৷ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে তাঁর শাসনকালেই নাকি যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটেছে৷ ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যকে ঘিরে হাসির রোল ওঠে সমগ্র সভায়৷ হাসিতে লুটোপুটি খান অন্যান্য রাষ্ট্রনেতারা৷ যদিও পরে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে পরিস্থিতি সামাল দেন ট্রাম্প৷ কিন্তু বিতর্ক চেপে রাখা যায়নি৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে