×

৪ ফাল্গুন  ১৪২৫  রবিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ঠান্ডা লড়াইয়ের আশঙ্কা উসকে আইএনএফ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল আমেরিকা।আজ থেকে অর্থাৎ শনিবার থেকে আর এই চুক্তির প্রতি অনুগত থাকবে না ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসন সাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছে, রাশিয়া মিসাইল উৎক্ষেপণ বন্ধ না করলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবে ওয়াশিংটন। 

[আমেরিকায় পোলার ভর্টেক্স-এর তাণ্ডব, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১]

শুক্রবার রাশিয়াকে একহাত নিয়েছেন মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “গোপনে দীর্ঘদিন থেকে এই চুক্তি লঙ্ঘন করে আসছে রাশিয়া। নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে মস্কো যা আমাদের মিত্র ও বিদেশে অবস্থানরত সেনাদের জন্য সরাসরি হুমকি।” এদিকে, আমেরিকার অভিযোগের পালটা দিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর মুখপাত্র মারিয়া ঝাকারোভার দাবি, রাশিয়ার কাঁধে বন্দুক রেখে নিজেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে চাইছে আমেরিকা। এর আগেও এভাবেই অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই মহাশক্তির এহেন টানাপোড়েনে ফের ঠান্ডা লড়াই ও অস্ত্র প্রতিযোগিতার ভয়াবহ দিনগুলিতে ফিরে যেতে পারে বিশ্ব। সিরিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণ চিন সাগর, একাধিক জায়গা আপাতত বারুদের স্তুপের উপর দাঁড়িয়ে। এহেন ডামাডোলে ওয়াশিংটন ও মস্কোর উচিত যে কোনওভাবে উত্তেজনা এড়িয়ে চলা।

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ আইএনএফ চুক্তিতে সই করেন। এ চুক্তির আওতায় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ৫০০ কিলোমিটার থেকে ৫,০০০ কিলোমিটার পাল্লার সব ধরনের ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়। তবে পরিবর্তিত সময়ে রুশ সামরিক বাহিনীর হৃতগৌরব ফিরে পেতে উঠেপড়ে লেগেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। একের পর এক দুরপাল্লার ও আণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম মিসাইলের পরীক্ষা করে চলেছে রুশ সেনা। সম্প্রতি ইস্কান্দার ও হাইপারসনিক এভানগার্ড মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে রাশিয়া। তারপর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে আরও চিড় ধরেছে।               

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং