Lok Sabha Election

ভোটকর্মীদের ভোটদান ফেসিলিটেশন সেন্টারে, ব্যালট যাবে না ডাকবিভাগে

দ্বিতীয় ধাপে প্রশিক্ষণ শেষে সেখানেই ফেসিলিটেশন সেন্টারে ভোট দেবেন ভোটকর্মীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৪, ০৯:১৬

options
link
ভোটকর্মীদের ভোটদান ফেসিলিটেশন সেন্টারে, ব্যালট যাবে না ডাকবিভাগে
প্রতীকী ছবি।

সুমিত বিশ্বাস: নামেই পোস্টাল ব্যালট (Postal Ballot)। এবার ভোটকর্মীদের ভোট দেওয়া ব্যালট আর যাবে না ডাকবিভাগে। ভোট দিতে হবে ফেসিলিটেশন সেন্টারে (Facilitation Centres)। আর ওই কেন্দ্রে ভোটকর্মীদের ভোট নিতে হাজির থাকবেন আরও ৩ ভোটকর্মী। সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিশ। অর্থাৎ ওই কেন্দ্র হবে অনেকটা বুথের মতোই। নির্বাচনের আগে হয়ে যাওয়া ভোটকর্মীদের ভোটকে সুরক্ষিত রাখতে এমন নয়া ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের।

Advertisement

ভোটকর্মীদের পোস্টাল ব্যালটের বিধি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের নিয়োগপত্রের সঙ্গে ১২ ও ১২এ ফর্ম দেওয়া হচ্ছে। তা পূরণ করে মহকুমা স্তরে দ্বিতীয় ধাপে প্রশিক্ষণ শেষে সেখানেই তৈরি ফেসিলিটেশন সেন্টারে ভোট দেবেন ভোটকর্মীরা। কোনও ভোটকর্মী যদি সেখানে ভোট দিতে না পারেন তাহলে জেলাশাসক অর্থাৎ জেলা নির্বাচন আধিকারিক যেখানে বসেন, সেখানেও একইভাবে ফেসিলিটেশন কেন্দ্র থাকবে। যেখানে যে কেন্দ্রে নির্দিষ্ট দিনে ভোট তার তিন থেকে এক দিন আগে ভোটকর্মীদের ওই ভোট দিয়ে দিতে হবে। সেখানে থাকবে ড্রপ বক্স। রাজনৈতিক দলগুলি বা প্রার্থীর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ওই ব্যালট চলে যাবে সংশ্লিষ্ট বিধানসভার বক্সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : ভোটের মুখে শক্তিবৃদ্ধি! রাজমাতার হাত ধরে বিজেপিতে নদিয়ার ৫০০ তৃণমূল ও বাম কর্মী]

পুরুলিয়া (Purulia) জেলার নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসক রজত নন্দা বলেন, “ভোটকর্মীদের ভোট হবে এবার ফেসিলিটেশন সেন্টারে। যেখানে ট্রেনিং হবে অর্থাৎ মহকুমা স্তরে ওই কেন্দ্র হবে। সেখানে কোনও ভোটকর্মী ভোট দিতে না পারলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক কার্যালয়ের পাশেও ওই কেন্দ্র করা হবে। ভোটকর্মীদের ভোট দেওয়া ব্যালট আর ডাকবিভাগে যাবে না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘হয়তো যোগ্য ছিলাম না’, এবার টিকিট নিয়ে ‘অভিমানী’ আরামবাগের অপরূপা]

আগে ভোটকর্মীরা তাঁদের হাতে আসা ব্যালটে দেওয়া ভোট নির্দিষ্ট প্রশাসনিক ঠিকানায় যাওয়ার জন্য ডাকবিভাগে পোস্ট করতেন। কিন্তু এবার আর ডাকবিভাগের বিষয়টি না থাকলেও তা পোস্টাল ব্যালট নামেই রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রথম দফা ১৯ এপ্রিল ভোটপর্বের জন্য ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে। যে সকল ভোটারের ৮৫ বছরের বেশি ও বিশেষভাবে সক্ষম তাঁদের বাড়িতে ১২- ডি ফ্রম পাঠাচ্ছেন বুথ লেভেল অফিসাররা। ওই ভোটারদের মধ্যে যাঁরা নিজের বাড়িতে ভোট দিতে চান, তাঁরা ওই ফর্মে উল্লেখ করলেই ভোটের ৫দিন আগে ভোটকর্মীরা গিয়ে ব্যালটে ভোট নিয়ে আসবেন। এই ভোট নিতেও থাকবে পোলিং টিম ও নিরাপত্তা রক্ষী। সংশ্লিষ্ট ভোটারের বাড়ি চিনিয়ে দেবেন বুথ লেভেল অফিসার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.