সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: সপ্তম দফায় আগামী ১ জুন রাজ্যের নটি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন। তার আগে শেষবেলার প্রচারে মহেশতলায় দাঁড়িয়ে বিরোধীদের ফের জোরাল হুঁশিয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আগামী ৪ জুন, ফলপ্রকাশের দিনই বিজেপির ‘খেলা শেষ হবে’ বলেই হুঙ্কার তাঁর।
বৃহস্পতিবার বিকেলে মহেশতলার বাটা মোড় থেকে ডাকঘর পর্যন্ত রোড শো করেন অভিষেক। শেষ নির্বাচনী প্রচারে রোড শোয়ের পর গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখেন অভিষেক। তাঁর হুঙ্কার, “বিসর্জন করতে হবে। খুঁটিপুজো বলব না। ব্রিগেডে প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুঁটিপুজো করেছিলেন। উদ্বোধনটা মহেশতলায় করে দিয়ে গেলাম। সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমী… দশমীর দিন চিচিং ফাঁক। ৪ তারিখ হবে চিচিং ফাঁক। বিজেপির খেলা হবে শেষ। সবুজ আবির তৈরি রাখুন।”
[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে বাঘ ও উদ্ধারকর্তার অদৃশ্য লড়াই! মোদি-যোগীর ‘দ্বন্দ্বে’ আশা-আশঙ্কায় বিজেপি প্রার্থীরা]
মহেশতলা ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। শেষবেলার প্রচারে নিজের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেন। বলেন, “এভাবেই শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আমার পিছনে ইডি, সিবিআই আর বিচারব্যবস্থার একাংশকে না লাগিয়ে ক্ষমতা থাকলে গণদেবতার দরবারে এসে আমার বিরুদ্ধে লড়ুক বিজেপি। আমাকে, তৃণমূলকে হারাতে পারবে না।” এদিন তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে সন্দেশখালি কাণ্ডও। অভিষেকের তোপ, “সন্দেশখালির মতো পরিকল্পিত চক্রান্ত করে বাংলার ৫ কোটি মায়ের সম্ভ্রম দিল্লির তল্পিবাহকতা করে দেশের ১৪০ কোটি মানুষের কাছে ছোট করেছে। এরা বাংলা বিরোধী।” ৪ লক্ষ ভোটে জয়ের আরও একবার লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে দেন ‘আত্মবিশ্বাসী’ অভিষেক।
[আরও পড়ুন: ‘পরের অতিমারী অনিবার্য’, আশঙ্কার কথা শোনালেন শীর্ষ ব্রিটিশ বিজ্ঞানী]
সর্বশেষ খবর
-
‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ রিভিউ: রক্ত গরম করা সংলাপ, দক্ষিণী ধাঁচের অ্যাকশনে জমল জিতের ছবি
-
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর
-
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে শচীন-কোহলি, ‘কর্তব্য’ মনে করালেন গম্ভীর, কী বার্তা কলকাতার দুই প্রধানের?
-
পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায়
-
কলকাতার রাজপথের ক্যানভাসে ‘প্রতিবাদ আঁকলেন’ জয়া, অগ্নিমিত্রা-ঋতুপর্ণাদের সঙ্গে রাতদখলে আহসানও