Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Rahul Gandhi

পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায়

পরপর দু'বছর স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় অনুপস্থিত কংগ্রেসের দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৬, ১২:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৬, ১২:০৯

options
link
পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায় zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

গতবারও আসেননি। এবারও লালকেল্লায় অনুপস্থিত কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও লোকসভায় বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কেন তাঁরা স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের মতো ঐতিহ্যবাহী এক অনুষ্ঠান এড়িয়ে গেলেন?

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রানুসারে, আসন বিন্যাস এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক প্রোটোকল তাঁদের পদমর্যাদা অনুযায়ী ছিল না বলেই অভিযোগ রাহুল-খাড়গের। আর সেই কারণেই তাঁরা আসেননি লালকেল্লায়। যদিও রাহুলকে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছিল, সরকারি ‘অগ্রাধিকার ক্রম’ অনুযায়ী তাঁর আসন নির্ধারণ করা হবে। রাষ্ট্রপতির সচিবালয় কর্তৃক জারি করা অগ্রাধিকার ক্রম অনুযায়ী, লোকসভায় বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একজন মন্ত্রীর সমতুল। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আসন বিন্যাস ও প্রোটোকল বা শিষ্টাচার ‘টেবিল অফ প্রেসিডেন্স’ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এবং তা রাজনৈতিক নয়, সাংবিধানিক পদমর্যাদা ও পদের উপরে ভিত্তি করেই স্থির করা হয়।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত বছর লালকেল্লায় পঞ্চম সারিতে আসন দেওয়া হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। কংগ্রেস এই ব্যবস্থার সমালোচনা করে অভিযোগ তোলে, সরকার সংকীর্ণ মানসিকতা দিয়ে বিরোধী দলনেতার পদের অবমাননা করেছে। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রক পরিষ্কার জানায়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত অলিম্পিয়ানদের জন্য জায়গা করে দিতেই ওই আসন বিন্যাস করতে হয়েছিল। সেই বিতর্কের পর পরপর দু’বছর লালকেল্লার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলেন খাড়গে-রাহুল। বিতর্ক দানা বেধেছিল প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠান নিয়েও। গান্ধী ও খাড়গেকে তৃতীয় সারিতে বসানোর অভিযোগ উঠেছিল সেবার। যদিও এক্ষেত্রেও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আসন বিন্যাস ‘টেবিল অফ প্রেসিডেন্স’ (পদমর্যাদাক্রম তালিকা) মেনেই করা হয়েছিল।

এদিকে এদিন মোদি তাঁর ভাষণে কাঠগড়ায় তোলেন বিরোধীদের। বলেন, “অনেকে বলছেন ইউক্রেনে যুদ্ধ হচ্ছে। গ্যাস পাবেন না। পেট্রল পাম্পে তেল পাবেন না। কিছু লোকের আনন্দ হচ্ছিল দেশবাসীকে ভয় দেখিয়ে। চাষিদের ভয় দেখানো হচ্ছে ইউরিয়া পাবেন না। তবে যাতে কারও কোনও সমস্যা না হয় ভারত প্রস্তুত ছিল। করোনা থেকে জ্বালানি নিয়ে অপপ্রচার করেছেন বিরোধীরা।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.