Bangaldesh

অপারেশন সিঁদুরে ভারতে হামলার অস্ত্র! পাকিস্তানের সেই যুদ্ধবিমান এবার যাচ্ছে বাংলাদেশের হাতে

অপারেশন সিঁদুরে ভারতের রাফালে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল এই বিমান! যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে এমন বিস্ফোরক দাবি করেছেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১২:০৫

options
link
অপারেশন সিঁদুরে ভারতে হামলার অস্ত্র! পাকিস্তানের সেই যুদ্ধবিমান এবার যাচ্ছে বাংলাদেশের হাতে
২০টি যুদ্ধবিমান কিনতে চাইছে ঢাকা। প্রতীকী ছবি।

অপারেশন সিঁদুরে ভারতে হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল পাকিস্তানের একঝাঁক যুদ্ধবিমান। চিনের তৈরি ওই বিমান এবার কিনতে চলেছে বাংলাদেশ! মনে করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক অতীতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যয়। সূত্রের খবর, ২০টি যুদ্ধবিমান কিনতে চাইছে ঢাকা। তার জন্য ২৩০ কোটি ডলার খরচ করবে তারেক রহমান প্রশাসন, এমনটাই সূত্রের খবর।

Advertisement

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর প্রথম বিদেশ সফরে চিনেই গিয়েছিলেন তারেক। শোনা যাচ্ছিল, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আলোচনা করবেন J-10CE যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে। সেই আলোচনা সফল হয়েছে বলেই দাবি তারেকের তথ্য এবং সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের। তিনি জানিয়েছেন, “ভারতের রাফালে ধ্বংস করেছিল চিনের তৈরি J-10 যুদ্ধবিমান। রাফালেকে ৪.৫ প্রজন্মের আধুনিক বিমান বলে অভিহিত করা হয়। সেই যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে J-10 যুদ্ধবিমান খুবই ভালো কাজ করেছে। সেকারণেই J-10CE যুদ্ধবিমান কেনার কথা ভাবছে বাংলাদেশ।”

Advertisement

জানা গিয়েছে, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রোগ্রাম শুরু করেছে বাংলাদেশ। সেকারণেই বায়ুসেনাকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে তারেক প্রশাসন। চিন থেকে ২০টি যুদ্ধবিমান কেনার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করছে ঢাকা। প্রত্যেক যুদ্ধবিমানপিছু সাড়ে ১১ কোটি ডলার খরচ পড়ছে। সবমিলিয়ে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮৩১৪ কোটি টাকা ঢালা হবে ২০টি যুদ্ধবিমান কিনতে। জাহেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক থেকে আধিকারিকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এই ইস্যুতে। দর কষাকষি চলছে যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে।

Advertisement

তবে প্রশ্ন উঠছে জাহেদের বিবৃতির বিশেষ একটি অংশ নিয়ে। অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত বারবার জানিয়েছে, মোটেও রাফালে ধ্বংস করতে পারেনি শত্রুরা। কিন্তু ঢাকা ঠিক উলটো কথাটাই বলেছে এবং তার ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড়সড় সিদ্ধান্তও নিচ্ছে। তাহলে কি চিন এবং পাকিস্তানকেই বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে করছে ঢাকা? চিন সফরে গেলেও ভারত সফর নিয়ে তারেকের টালবাহানা অব্যাহত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিমান কেনার পর ঢাকা-বেজিং সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। তার পালটা কী কৌশল নেবে ভারত?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.