Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Annamalai slams Toxic

‘নারীদের নোংরাভাবে দেখিয়ে টাকা কামাচ্ছে, সেন্সর ছাড় দিল কেন?’, ‘টক্সিক’ নিয়ে ক্ষিপ্ত ‘হিন্দুত্ববাদী’ আন্নামালাই

দক্ষিণী সুপারস্টার যশের 'টক্সিক' নিয়ে ক্ষুব্ধ তামিলনাড়ু বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। প্রশ্ন তুললেন, 'সংস্কারি' সেন্সরের ভূমিকা নিয়ে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৭:১৩

options
link
‘নারীদের নোংরাভাবে দেখিয়ে টাকা কামাচ্ছে, সেন্সর ছাড় দিল কেন?’, ‘টক্সিক’ নিয়ে ক্ষিপ্ত ‘হিন্দুত্ববাদী’ আন্নামালাই zoom
যশের 'টক্সিক' নিয়ে ক্ষিপ্ত 'হিন্দুত্ববাদী' আন্নামালাই
Advertisement

প্রচারঝলকে রগরগে যৌনদৃশ্যেই ‘পোয়া বারো’ হয়েছিল নির্মাতাদের। অগ্রিম বুকিং খোলার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে বিক্রি হয় ৮৫ হাজার টিকিট। গোড়া থেকেই যৌনগন্ধী টিজার-ট্রেলার নিয়ে কম কটাক্ষ, সমালোচনার শিকার হতে হয়নি যশকে। পয়লা ঝলকে নগ্নতা দেখিয়ে খাল কেটে বিতর্ককে ডেকে এনেছিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার। নারীচরিত্রগুলিকে নেতিবাচকভাবে দেখানোয় কর্নাটক থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বিতাড়িত করার হুমকিও খান যশ। আপত্তি তোলে মহিলা কমিশনও। এমনকী মুক্তির পরও যৌনগন্ধী দৃশ্যের জেরে বিতর্ক পিছু ছাড়ল না ‘টক্সিক’-এর। যশের সিনেমা নিয়ে এবার আপত্তি তুললেন দাপুটে দক্ষিণী নেতা আন্নামালাই।

“আমরা বিভিন্ন জায়গায় নারী নিরাপত্তার কথা বলি, অথচ সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন এই ধরনের সিনেমাকে ছাড়পত্র দেয়…”

গোটা সিনেমাজুড়ে যেরকম খুল্লমখুল্লাভাবে নারীশরীর দেখানো হয়েছে, সে বিষয়েই আপত্তি তুলেছেন বিজেপির প্রাক্তন নেতা। তাঁর কথায়, ‘টক্সিক’-এর মতো সিনেমা দেশের যুবপ্রজন্মের মনে কুপ্রভাব ফেলছে। কোয়েম্বাটোরে এক জনসভায় বক্তৃতা দেওয়ার সময়ে তামিলনাড়ু বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি আন্নামালাইয়ের মন্তব্য, “গতকাল সিনেমাটা সম্পর্কে শুনলাম। মুক্তির প্রথম দিনেই ১০৪ কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে। আমরা অনেক সময় বিষাক্ত কিংবা ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর কথা বলি, কিন্তু সিনেমাটির নামই রাখা হয়েছে ‘টক্সিক’। এই ছবিটা নারীদের নেতিবাচক লাইটে দেখিয়ে টাকা কামাচ্ছে।” এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। ‘সংস্কারি’ সেন্সরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ‘হিন্দুত্ববাদী’ নেতা এও যোগ করেন যে, “আমরা যদি পড়ুয়াদের এই ছবিটা দেখাই, তবে আমাদের দেশের কী হবে? আমরা বিভিন্ন জায়গায় নারী নিরাপত্তার কথা বলি, অথচ সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন এই ধরনের সিনেমাকে ছাড়পত্র দেয় এবং সেসব মুক্তিও পায়। ‘টক্সিক’ ছবিটায় নারীদের প্রতি কোনও সম্মান প্রদর্শনই করা হয়নি।”

Advertisement
Yash Bold Toxic Scenes With Kiara Advani, Tara Sutaria
সিনেমার দৃশ্যগুলিতে নারীরা যেন শুধুই ভোগ্যপণ্য!

‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’-এর নাম আর যাবতীয় প্রচারঝলকেই বোঝা গিয়েছিল যে এই ‘সর্বনাশী খেলা’ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। বোমাবাজি, গোলাগুলি, হাইভোল্টেজ অ্যাকশন সিকোয়েন্স, বারুদের গন্ধে ম-ম করা ‘লার্জার দ্যন লাইফ’ সিনেমায় ঠাসা রগরগে সব যৌনগন্ধী দৃশ্য। টক্সিক দেখে অনেকেই বলেছেন, ‘সিনেমার দৃশ্যগুলিতে নারীরা যেন শুধুই ভোগ্যপণ্য!’ বলিউডের কিয়ারা আডবানি, তারা সুতারিয়া থেকে ব্রাজিলিয়ান মডেল-অভিনেত্রী বেয়াট্রিজ টাউফেনবাচের সঙ্গে যেহেন খুল্লমখুল্লা শয্যাদৃশ্যে ধরা দিয়েছেন যশ, তাতে ভারতীয় সভ্যমহল যতই চোখ ঢাকুক না কেন, এই সিনেমার ব্যবসা কিন্তু থেমে নেই। ৫০০ কোটি বাজেটের ছবি বক্স অফিসে ভালোই এগোচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.